ঢাকা: জাতীয় বেঈমানরা সাফাই দিচ্ছে, তাঁরা নাকি জাতীয় সঙ্গীতকে অসম্মান করেনি!?

এরা কি মানুষকে এতোই বোকা মনে করে? বিশ্ববাসী দেখেছে তাই শাক দিয়ে মাছ ঢাকা সম্ভব না!

সংসদে জাতীয় সঙ্গীতের সময় দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো ইস্যু খোলাসা করলেন হান্নান! এরা যে কতবড় বাটপার, দেশদ্রোহী, সংবিধান লঙ্ঘনকারী তা কি আর বলতে হবে আলাদাভাবে এদের?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ)।

লেখক তসলিমা নাসরিন পরিষ্কার বলেছেন, “জাতীয় বেঈমানগুলো জাতীয় সংসদে বসে জাতীয় সংগীতের অবমাননা করেছে। এদের জাতীয় সংসদে ঢুকতে দেওয়া উচিত নয় আর”।

যেহেতু জামাত একটি যুদ্ধাপরাধী সংগঠন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আর তাদের দোসর এনসিপি যে এমন কাজ করবে সেটায় আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

জামাত পাকিস্তানের পোষ‍্য এবং বাঙ্গালী সংস্কৃতির অন‍্যতম বিরোধিতাকারী। তাদের কাছে জাতীয় সঙ্গীতের কোনো মূল্য নেই।

স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম যারা চায়নি তারা দেশের জাতীয় সঙ্গীত চাইবে?

জামাত এবং তাদের পোষ‍্য এনসিপি মহান সংসদে জাতীয় সঙ্গীত চলাকালে দাঁড়িয়ে সন্মান প্রদর্শন করেনি।

এই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে?

এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হতেই মাছ ঢাকতে নেমেছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ।

তিনি জানান, সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে যখন স্পিকার রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দেন, তখন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি সংসদে প্রবেশ করলে সরকারি দলের সদস্যরা দাঁড়ালেও বিরোধী দলের সদস্যরা তখনও প্রতিবাদে ব্যস্ত থাকায় নিজ আসনে বসে ছিলেন।

হান্নান মাসউদের দাবি, জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি অসম্মান দেখানোর নাকি কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রবেশের পরপরই জাতীয় সঙ্গীত বাজানো শুরু হলেও সংসদের স্পিকারে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে শব্দ স্পষ্ট ছিল না। ফলে জাতীয় সঙ্গীত শুরু হয়েছে—এ বিষয়টি অনেক সদস্য প্রথমে বুঝতে পারেননি।

পরে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বিষয়টি টের পেয়ে অন্যদের অবহিত করেন।

বিষয়টি জানামাত্রই বিরোধী দলের সব সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি যথাযথ সম্মান জানান এবং শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আবদুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন—

“ভুল বোঝাবুঝির অবসান হোক, সঠিক তথ্যই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *