ঢাকা: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ এ আগামি ৭ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং শুরু হচ্ছে।
দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামোগত প্রকল্প পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ৭ এপ্রিল থেকে জ্বালানি লোডিং শুরু হতে যাচ্ছে।
আর এর মাধ্যমে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।
এই নিয়ে বিএনপির বহু কথা রয়েছে। বিএনপি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ‘দেশবিরোধী’, ‘দুর্নীতির প্রকল্প’ বলে তীব্র বিরোধিতা করেছিলো।
কিন্তু আজ তাদের আনন্দ।
৭ এপ্রিল রূপপুর কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফুয়েল লোডিং’ কার্যক্রম শুরু হবে। এটি সারা বাংলাদেশের লাভ। আর এই প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হলে চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
শেখ হাসিনার দূরদর্শিতাতেই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। বিএনপির দ্বিচারিতা জনগণের সামনে এভাবেই প্রকাশিত!
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোড ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। এটি হবে দেশের পরামাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি বলেন, প্রকল্পের একটি ইউনিট ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণ ক্ষমতায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিরাপত্তা দেশের জন্য একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। এজন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন জোরদার এবং জাতীয় গ্রিডে নতুন সক্ষমতা যোগ করা প্রয়োজন। আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হলো উৎপাদনে যাওয়া এবং গ্রিডে যোগ করা যেতে পারে এমন পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে নির্মাণ শুরু হওয়া ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পে ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে।
দুই ইউনিট থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৭ সালের মধ্যে চালু হওয়ার কথা।
