ঢাকা: বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তা ইস্যুটি বারবার সামনে আসছে।
দেশে প্রতিদিন ধর্ষণ হচ্ছে। এই দেশের নারীদের কোনো নিরাপত্তা নেই।
বিভিন্ন সময় আন্দোলন হয়েছে বা হচ্ছে, প্রতিবাদ হচ্ছে, শাস্তির বিধান আছে কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টায় না।
পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করছেন মানবাধিকার কর্মী ও নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারিরা। তারা প্রশ্ন তুলছেন রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে।
তবে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলায় সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থা মিলে বিশেষ ড্রাইভ (পদক্ষেপ) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তবে পদক্ষেপেই কাজ হবে না। এই বাংলাদেশের গোড়ায় গলদ। শিশুরা পুরুষতান্ত্রিকতা, ধর্ষণ দেখেই বড় হয়। ফলে একসময় তারাও এই শেখে।
সরকার, আইন কঠোর হলে ধর্ষণ অবশ্যই কমবে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিত অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ছুটির দিনে বেলা ২টায় মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয় ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, মন্ত্রিসভা সুয়োমুটো একটা ডিসিশন নিয়েছে যে, ধর্ষণ মামলা যেগুলো আছে বা এর আগে হয়েছে, এগুলোর জন্য একটা স্পেশাল ড্রাইভ নেওয়া সব মিনিস্ট্রি মিলে।
যতদূর যাওয়া দরকার যাবে কিন্তু এগুলো সমাজ থেকে বন্ধ করার জন্য এবং এসব জিনিসগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত অ্যাকশন নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, যেকোনো মামলার বিষয়ে অনেকগুলো এজেন্সি জড়িত। এদের মধ্যে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।
আন্তঃসংস্থা সমন্বয় বাড়ানো, জনসচেতনতা তৈরি এবং আইনি প্রক্রিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
