ঢাকা: দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিকল্পিতভাবে হামলা, আগুন লাগানো হচ্ছে।
গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে।
বুধবার (১৮মার্চ) রাত ৯ টার দিকে মহানগরীর নাওজোর এলাকার ড্রেস ইন স্টাইল লিমিটেড নামে পোশাক কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ফায়ার সার্ভিস জানায়, বুধবার রাত ৯ টার দিকে কারখানার নিচ তলায় আগুন লাগে। এ সময় স্থানীয় লোকজন ও কারখানার প্রহরিরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
কিন্তু আগুন কারখানার তিন তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। আতঙ্ক ছড়ায়।
স্থানীয়রা তড়িঘড়ি কোনাবাড়ী মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
আগুনের ভয়াবহতা আরও বাড়লে আশপাশের আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
রাত প্রায় ১ টাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক মোহাম্মদ মামুন জানান, কারখানার ভেতর দাহ্য পদার্থ রয়েছে। আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হচ্ছে।
এর আগে মব তৈরি করে হামলা চালানো হয় শপিং মলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা শহরের আনাচ কানাচ থেকে মাদক সেবনকারী টোকাইদেরকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে জামাত শিবির পুনর্বাসন করেছে।
তাদেরকে দিয়েই মব সৃষ্টি করানো হচ্ছে, ধ্বংস করানো হচ্ছে। জামাত শিবির ও এনসিপি তাদেরকে একদম সহি সালামতে রেখেছে।
রিক্সা চালককে হত্যা করে লুকিয়ে রাখার গুজবকে কেন্দ্র করে ধ্বংসস্তূপ বানানো হয় উত্তরা স্কয়ার শপিং মল!
রিকশাচালককে হত্যা করে নাকি ভিতরে রাখা হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় জামাত শিবিরের কিছু বড় পেইজ প্রোফাইল থেকে। তারপরেই রিকশাচালক এবং বহিরাগতরা সেখানে হামলা ও ভাংচুর চালায়।
এরা আদৌ শুধু রিকশাচালক?
গুজবকে কেন্দ্র করে রিকশাচালক ও বহিগতদের আক্রমণ ও ভাঙচুর এ ঈদের ঠিক আগে পথে বসিয়ে দেয়া হচ্ছে দেশের অসংখ্য ব্যবসায়ীদের!
রিকশাওয়ালাদের নাম করে রাতের গভীরে হামলা চালিয়েছে কারা? সরকার নীরব কেন?
