ঢাকা: জামাত সবসময় জামাত। এরা পৃথিবীতে একটা অন্য প্রজাতির। এদের সাথে মানুষের কোনো মিল নেই।

জামাত ইসলামের আমীর শফিকুর রহমান শুরুতেই ধরা খেয়েছেন।

চীন থেকে দেওয়া খাদ্য সামগ্রী নিজের নামে প্রচার প্রচারণার জন্য চীনা দূতাবাস প্রতিবাদ জানিয়েছে। কি একটা লজ্জাজনক অবস্থা।

প্রতারণার দায়ে ঘায়েল। তবুও লজ্জা এদের কোনোদিন হবে না। এরা যে কোন লেভেলের তা একমাত্র ওরাই বোঝে।

যে দল ধর্মের কথা বলে ইনসাফ তথা ন্যায্য অধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তারা চিরকাল ধান্দাবাজ।

বেহেশতের টিকেট ফেরি করা জামাত ইসলামের লজ্জা কোনোদিন হবে না।

যদি একবার সুযোগ পায় তাহলে পুরো দেশটা লুটেপুটে খেয়ে সোজা পাকিস্তানের দিকে পালিয়ে যেতো।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। জামাতের তরফে মিরপুরের একটি মাঠে দুঃস্থদের জন্য খাবার বিতরণী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সেখানে হাজির ছিলেন শফিকুর রহমান। সেখানে দেখা যায় বাংলাদেশে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকেও।

শফিকুরের সঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূতের কোলাকুলির ছবিও পোস্ট করা হয় জামাতের ফেসবুক পেজে।

সেখানে দাবি করা হয়, চিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেই নাকি খাবার বিতরণের আয়োজন করেছে জামাত।

এই ঘটনার পরেই শুরু হয় প্রবল বিতর্ক।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত খাবার বিতরণ কর্মসূচি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ‘ভুল তথ্য’ ছড়ানোর প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস।

মঙ্গলবার রাতে দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, এই কর্মসূচি ছিল চীনা দূতাবাসের ‘একক উদ্যোগ’; তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চীনা দূতাবাস জানায়, ‘১৭ই মার্চ, বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য ঈদুল ফিতরের খাদ্য সামগ্রী দান করেছে। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেছেন।’

রাজধানীতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তবে জামাতের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা ভারতের পক্ষেও যথেষ্ট অস্বস্তির হতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *