ঢাকা: বকধার্মিকেরা ঈদের দিনেও জুলাই সনদ, গণভোট নিয়ে কথা বলছে। তা ধর্মের প্রতি আপনাদের মন কোথায়? নামাজে পড়তে পড়তে কি গণভোট, জুলাই সনদের কথাই ভাবছিলেন?

জুলাই সনদ ছিল, জঙ্গী ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস সরকার ও তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র, তারা রাষ্ট্রকে ভাল না বেসে, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এবং ৭২ সালের সংবিধানকে মুছে দিতে এই জুলাই সনদ নামে একটি সংবিধানের রুপরেখা এনেছেন।

জুলাই সনদ দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র।

বিরোধী দল জুলাই সনদ নিয়ে খুব হৈচৈ করছে। তারা সারা বছর এই বিষয় নিয়ে তর্ক বির্তক সমালোচনা করতে থাকবে, সরকারকে কাজে বাধাগ্রস্ত করতে থাকবে।

তারা তো দেশের উন্নয়ন চায় না। বিরোধী দলরা বাংলাদেশকে ধারণ করেন না। তারা গোঁড়ামি করছে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বললেন গণভোট নিয়ে, এদিকে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে ‘জুলাই সনদ’ অস্বীকার করা যাবে না।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে সরকার এগিয়ে না এলে ঈদের পর সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।

আজ, শনিবার (২১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বেরাইদ এলাকার পূর্বপাড়া জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরেরর নামাজ আদায় শেষে গণমাধ্যমকে এইসব ধানাই পানাই কথা বলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন টোকাই নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে বিরোধীদল হিসেবে তারা সংসদে এবং রাজপথে চাপ সৃষ্টি করবে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের বাইরে থেকেই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়েছিল, তাই সংবিধানের অজুহাতে জুলাই সনদকে উপেক্ষা করা যাবে না। এটি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *