ফরিদপুর: ঈদের দিনেও সংঘর্ষের ঘটনা। যেইসেই সংঘর্ষ নয়, রীতিমতো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। প্রায় ৫০ টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
ঘটনা ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে। শনিবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন গ্রামবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
জানা যায়, দুই ঘন্টা ধরে যুদ্ধ চলতে থাকে।
অবশেষে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, ধারালো সরঞ্জাম ও ইট-পাটকেলের আঘাতে অনেকেই গুরুতর আহত হন। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে বহুদিন ধরেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে বারোটার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ১২ জন আহত হন।
আর এর জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুই পক্ষ আবার রীতিমতো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মারমুখী হয়ে পড়ে ওরা।
বাড়িঘরে লুটপাট পর্যন্ত হয়েছে। কোথাকার পানি কোথায় গড়ালো।
আবার যেন পরিস্থিতি উত্তপ্ত না হয় তাই গ্রামটির বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
