ঢাকা: জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এই যে হঠাৎ হঠাৎ একে তাকে জড়িয়ে ধরেন, চুম্বন করেন- তা আসলে কতটুকু শোভা দেয়?
জামাত যে অসভ্য, বিভ্রান্তিকর একটা চরিত্র, সমাজে অশ্লীলতা ছড়ানো যাদের পেশা আর নেশা তা তাদের কাজেকর্মের মাধ্যমেই বুঝিয়ে দেয়।
একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ভাইরাল।
বিদেশি কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলেন আচমকা হাসতে হাসতে শফিকুর। ঈদের কোলাকুলি সামনে থেকে ভদ্রভাবে করে, পেছন থেকে নয়।
এর আগেও বহু যুবককে তাঁর চুম্বন করার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। জামায়াতের আমির এইসব করে সমাজে কী বার্তা দিতে চাইছেন? এমনিতেই তো মাদ্রাসাগুলোতে শিশুগুলো ধর্ষণের শিকার হয় প্রতিদিন। তার মধ্যে আবার শফিকুলের এহেন আচরণে সমাজ শঙ্কিত এবং অবশ্যই লজ্জিত!
এই নিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। অনেকে নানা ট্রল করছেন।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ডা. শফিকুর রহমান।
এতে অংশগ্রহণ করেন অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত, জাপান, ব্রুনেই, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, পাকিস্তান, নেপাল, নেদারল্যান্ডস ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত–হাইকমিশনাররা। এ সময় অনেকেই তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।
কূটনীতিকদের বাইরেও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসেন ইউনিসেফ ও ইউএন ওমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বিরোধী দলীয় নেতা অতিথিদের সঙ্গে আড্ডা ও খুনসুটিতে মেতে উঠেছেন।
এ সময় তিনি অনেকের সঙ্গে কোলাকুলি করেছেন, কারও কপালে চুমু দিয়েছেন এবং খাবার টেবিলে বসা এক কূটনীতিককে পেছন থেকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরেন। কী কাণ্ড রে বাবা!
মনে হচ্ছে যেন আবেগে তিনি উতলা হয়ে পড়েছেন। দিক বিদিক জ্ঞানশূন্য।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তসলিমা নাসরিন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন:
একজন বিদেশি ডিপ্লোমেটের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়েছে লোকটা। কাউকে ছাড়ছে না। শিশু কিশোর যুবক কাউকে না। দেশি বিদেশি কাউকে না। সামনে থেকে তো দিন নেই রাত নেই ধরছেই, আচমকা পেছন থেকেও খপ করে ধরছে।
অন্যের সম্মতি ছাড়া অন্যের ঠোঁটে, গালে, ঘাড়ে নিজের জিভের লালা লাগিয়ে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই। লোকটা গে, পিডোফাইল, পারভার্ট। হোক না, কিন্তু পাবলিক নুইসেন্স করার অধিকার তো তাঁর নেই।
কেউ নেই এই ধর্মব্যবসায়ীটির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার? নাকি লোকটা ছলে বলে কৌশলে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতাবান হয়েছে বলে সবাই ভয়ে তটস্থ”?
