কুমিল্লা: এক একটা দুর্ঘটনা ঘটবে আর দায় চাপানো হবে, কিছু টাকা দেয়া হবে! ব্যস! কিন্তু নেতা মন্ত্রীদের ঐ এক দুই মিনিটের ভাষণ- হ্যান করেগা, ত্যান করেগা– কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা! দেখা যাবে আবারো ঘটনা ঘটছে।
কুমিল্লার পদুয়ারবাজার লেভেল ক্রসিংয়ে রবিবার ভোরে ঢাকাগামী ‘চট্টগ্রাম মেইল’ ট্রেনের সঙ্গে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর কুমিল্লায় পৌঁছে পরিদর্শন করেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তাদের ঐ পরিদর্শনই সার।
যাই হোক, তিনি নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং জানান, রেল কর্তৃপক্ষ নিহত প্রত্যেকের পরিবারের জন্য এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করেছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের জন্য প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, `এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। রেলওয়ের কোনো ধরণের গাফিলতি আর আমরা সহ্য করব না। দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার ইতিমধ্যেই তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’
দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তবে শোক প্রকাশে কোনো কাজ হয়না, কাজ হয় মানুষগুলোকে যাতে অকালে মরতে না হয় সেদিকে সঠিক ব্যবস্থা হাতে নেয়া।
