ঢাকা: জনগণ, অভিভাবকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ঘরে ঘরে শিশুগুলো আক্রান্ত হচ্ছে হামে। খুব ভয়াবহ অবস্থা শুরু হয়েছে।
হাম বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে গিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের আমলে। কারণ হলো নিয়মিত টিকাকরণ। দেশবাসী এত ভুক্তভোগী হয়নি শেখ হাসিনার আমলে। শুধু জ্বালানির সংকট না, এখন দশদিটে সংকট দেখা দিয়েছে।
শেখ হাসিনা এই বিপদ গুলো সামলে নিতেন।
অবৈধ দখলদার ইউনুস সরকার প্রজন্মকে পঙ্গু করতে সব রকম টিকা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল। এবং এখন শুরু হয়ে গেছে তার ফলাফল পাওয়া।
হামে প্রতিদিন শিশু মারা যাচ্ছে। টিকাহীন প্রজন্ম হবে প্রতিবন্ধী প্রজন্ম। অবৈধ দখলদার জঙ্গী ইউনুস সরকার এদেশের সন্তানদের হত্যা করছে, আর ভবিষ্যতে বিকলাঙ্গ বানানোর সব চক্রান্ত করে রেখেছে। একটা বৃদ্ধ জঙ্গী দেশটাকে ধ্বংস করে রেখে গিয়েছে।
জনগণ বিরক্ত হয়ে গেছে। তারা বলছে, ‘শেখ হাসিনার আমলে কখনো শুনিনি শিশুদের টিকার অভাব হতে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা দিয়ে আসতো, কিন্তু ইউনুস সরকারের আমল থেকে টিকার যে সংকট শুরু হয়েছে তা এখনও বিদ্যমান।
শেষ কবে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা গিয়েছে তা জানা নেই।
তবে শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে প্রায় ভুলতে যাওয়া এই রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা যাচ্ছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর পাশাপাশি যেসব শিশু জীবিত থাকে তাদের বেশীরভাগই শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে’।
সারাদেশে আশঙ্কাজনকভাবে “হাম”-এর প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর হার বাড়তে শুরু করেছে।
জুলাই ২০২৪-এর কালার রেভুলেশনে ক্ষমতা দখলের পর ইউনুস সরকার স্বাস্থ্য খাতে যে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা করেছে, তার ভুক্তভোগী হতে শুরু করেছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ।
বিএনপির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন ৮ বছর হামের টিকা দেওয়া হয়নি। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য মিথ্যাচারের পথে তাঁরা? তাঁরা কি জানেন না কোনো তথ্য? নাকি জেনেশুনে সব মিথ্যাচার?
অথচ, টিকাদান কর্মসূচিতে অসামান্য সাফল্য এবং দেশের শিশুদের শতভাগ টিকার আওতায় আনার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৯ সালে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাক্সিনেশন এন্ড ইমিউনাইজেশন (GAVI) “ভ্যাকসিন হিরো” (Vaccine Hero) পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
নাকি এখন জিএভিআইকেও ঠক বলা হবে? বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য তাঁকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
নিজের বক্তব্যে শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশংসা করেছিলেন ড. এনগোজি অকোনজো।
ড. এনগোজি অকোনজো বলেন, যারা শিশুদের জীবন রক্ষায় জরুরি টিকাদানে উদ্যোগী হয়েছেন এবং কোনও শিশু যাতে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিতে কাজ করেছেন তাদের জন্যই এই পুরস্কার।
কেবল টিকাদানই নয়, শিশু অধিকার এবং নারীর ক্ষমতায়নেও শেখ হাসিনা একজন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন।
পুরস্কার গ্রহণের পর বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সম্মাননা উৎসর্গ করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি যে পুরস্কার পেয়েছি এটি আমার নয়, এটি বাংলাদেশের জনগণের এবং আমি তাদের এই সম্মাননা উৎসর্গ করছি।’
লিখিত বক্তব্যে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ‘সবার জন্য ভ্যাকসিন’ কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন হাসিনা।
তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
