ঢাকা: জুলাইয়ের দেশভক্তগুলো কোথায় এখন? কি বলছিলো তারা? ভারতবিরোধীরা এখন স্লোগান দেয় না যখন ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ডিজেল আসছে!?
গোলামী না আজাদী! আজাদী, আজাদী । দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা। এখন তেল, পেট্রোল, ডিজেল দিচ্ছে ভারত।
আর বাইরে কিনতে গেলে লাগবে আমেরিকার অনুমতি। বাহ্ কতো সুন্দর আজাদী করলো জুলাই যোদ্ধারা! তেল কিনবে বাংলাদেশ, কিন্তু অনুমতি লাগবে আমেরিকার!
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাশিয়া থেকে ছয় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তবে রুশ তেলের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই বিষয়ে শিথিলতা বা ‘স্যাংশন ওয়েভার’ চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ।
আমেরিকার পায়ের কাছে হাতজোড় করে বসে আছে বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ শেখ হাসিনার উপহার নয়। মব সম্রাট ইউনূসের উপহার।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্যাংশন ওয়েভার’ চেয়েছে বাংলাদেশ।
এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে রাশিয়াকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুই মাস অথবা ৬ লাখ মেট্রিকটন জ্বালানি তেল আমদানির জন্য স্যাংশন ওয়েভার চাওয়া হয়েছে। সোমবার তথা ৩০ মার্চ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, এবার ঈদ উপলক্ষ্যে মার্চ মাসে, ২০২৫ সালের মার্চের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। সাপ্লাই চেইনে কোনও সমস্যা নেই।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব বলেন, সরবরাহ যথার্থ রেখেছে মন্ত্রণালয়। যে কৃত্রিম সংকট দেখা যাচ্ছে, এটা হওয়ার কোনো কারণ দেখতে পাচ্ছি না। সারা দেশে তেল মজুতের প্রবণতা দেখা গেছে। ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে এ মাসে।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্যাংশন ওয়েভার’ চেয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই দেশটিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ২ মাস অথবা ৬ লাখ মেট্রিক জ্বালানি তেল আমদানির জন্য স্যাংশন ওয়েভার চাওয়া হয়েছে।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ভারত থেকে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাওয়ার কথা। এ পর্যন্ত ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে পাওয়া গেছে। এর বাইরে অন্যান্য বিকল্প উৎস থেকে আনার কথা চলছে।
