ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন খেলোয়াড়রা যেন রাজনীতিতে না জড়ান।
তবে এই বিষয়টা শুধু খেলোয়াড়দের জন্য কেন? খেলোয়াড়, অভিনেতা ও শিল্পীরা রাজনীতিতে জড়াচ্ছেন।
তবে একজন ছাত্রের বেলায় কেন অন্য নিয়ম হবে?
ছাত্রের পেশা ছাত্র। তিনি কেন তাঁর পেশার পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়াবেন?
অনেকেই প্রশ্ন করছেন, একজন খেলোয়াড় রাজনীতিতে জড়ালে সমস্যাটা কোথায়?
রাষ্ট্রের কোন নাগরিক রাজনীতি করবে, কোন নাগরিক রাজনীতি করবে না। সেটা কি রাষ্ট্র ঠিক করে দেবে এখন?
সোমবার (৩০ মার্চ) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি।
১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ভাতা ও কার্ড তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেই অনুষ্ঠানেই বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা কোনও রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নন এবং হবেনও না। বরং ক্রীড়ানৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠুন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলোয়াড়দের উচিত নিজেদের ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে দেশের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করা। দেশ-বিদেশে সাফল্য এনে বাংলাদেশকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে উচ্চস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ল্যাপটপের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থায় ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের মোবাইলে এক লাখ টাকা করে ভাতা পৌঁছে দেওয়া হয়।
এবং তাদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেওয়া হয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড়দের সম্মাননা জানানো হয়।
খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেম, একাগ্রতা ও টিম স্পিরিট থাকলে সাফল্যের পথে কোনো বাধা টিকতে পারবে না।
