চট্টগ্রাম: একদিকে জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষের নাভিঃশ্বাস উঠছে, অন্য দিকে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট হাজার হাজার লিটার তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের একটি ডিপোতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

এইরকম দেশের আনাচে কানাচে প্রচুর ঘটছে। জনগণের ভোগান্তির শেষ নেই।

সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা সলিমপুর সিডিএ আবাসিক গেট সংলগ্ন এলাকায় একটি তেলের ডিপোতে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

এতে নেতৃত্ব দেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম।

স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, দিনের বেলায় ডিপোটির কাজকর্ম কম থাকলেও রাতের অন্ধকারে তেল আনা-নেওয়া বেশি হতো। তখনই যা করার করতো এরা।

তবে এই গুরুতর বিষয়টি অনেকবার সংশ্লিষ্টদের জানানোর পরেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সরকারের কাছে জনগণের প্রশ্ন:

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা যখন হুমকির মুখে, তখন এই বিশাল অবৈধ মজুদ গড়ে তোলার সাহস এরা পায় কোথায়?

রাজনৈতিক প্রশ্রয় ছাড়া কি ২৫ হাজার লিটার তেল এভাবে লুকিয়ে রাখা সম্ভব? জনগণ মারা যাচ্ছে তেলের লাইনে, এইসব ভোগান্তির দায় কে নেবে?

আরো একটি বিষয়ও দেখা যাচ্ছে, অভিযান হচ্ছে, তেল জব্দ হচ্ছে — কিন্তু মূল হোতারা কেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? কোনো গ্রেপ্তার নেই কেন?

উদ্ধার করা ২৫ হাজার লিটার তেলের ঘটনায় বলা হচ্ছে অবৈধ মজুত ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাহলে চিহ্নিত করতে কত সময় লাগবে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *