ঢাকা: সবকিছু নিয়ে রাজনীতি তো হয়েছেই, বা হয়, শিশুর জীবন নিয়ে পর্যন্ত রাজনীতি করে গেছেন জঙ্গী ইউনূস।

টিকা কর্মসূচিতে সফল ছিলো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সেটা সফল করেছিলেন। কিন্তু এখন? হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা যারপরনাই দুঃখজনক।

স্বাস্থ্য খাতকে রাজনৈতিকীকরণ করা হলে তার পরিণতি যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, শিশুরা জীবন দিয়ে সেটা দেখিয়ে দিচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, চলতি মার্চ মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দেশে হামের সংক্রমণে ৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই ইউনূসের বিচার হবে না শিশুহত্যার দায়ে?

তেমনি ২০২৪ এর পর থেকে হামের টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথেষ্ট গাফিলতি দেখিয়েছে। লক্ষাধিক শিশু হামের টিকা পায়নি।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নুরজাহান বেগম কি এই দায় এড়াতে পারেন?

৫৪ জন শিশুর জীবন যেন একেবারেই তুচ্ছ। কারো কোনো আওয়াজ নেই।কোন প্রতিবাদ মিছিল নেই,বিবৃতি নেই,জবাবদিহি চাওয়ার চেষ্টা নেই। কেন? দেশটা এভাবে কতদিন চলবে? আসল দোষীদের কেন ধরা হচ্ছে না?

ড.ইউনুস কার পরামর্শে নুরজাহান বেগমকে নিয়োগ দিয়েছিলেন?

নাহ! তাঁরা তো ব্যস্ত জুলাই সনদ, আর গণভোট নিয়ে। শিশুর টিকা দেয়া হলো কিনা, হলে কতটুকু! তার খবর কে রাখে? জুলাই সনদ দিয়ে এখন বাঁচাক শিশুগুলোকে!

দেশের স্বাস্থ্যখাত, হাসপাতালের যখন টালমাটাল অবস্থা, সামাল দিতে না পেরে বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেছেন গত আট বছরে দেশে হামের টিকা দেয়া হয়নি।

অথচ ২০২৪ সালে পর্যন্ত হামের টিকার রেট ছিল ৯০%—৯৭%। যেটা ২০২৫ সালে ৬০% এর নিচে নেমে এসেছে। এবং হামে আক্রান্ত শিশুদের বয়স সাধারণত ৬ মাস থেকে ২ বছর।

নেতা মন্ত্রীরা এখনো মনে করে, বানোয়াট, মনগড়া তথ‍্য ছড়িয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবেন? এই ডিজিটাল যুগে?

এখন দেশের অবস্থা খুব খারাপ। স্কুলে বাচ্চারা যাচ্ছে। মা বাবারা বাড়িতে চিন্তায় শেষ। এই অবস্থায় অনলাইন ক্লাসের কথাও উঠছে।

ইউনূস ও তার বান্ধবী স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের অদক্ষতায় টিকার অভাবে শতাধিক শিশুর মৃত্যুতে তাদের ফাঁসির দাবি উঠেছে।

ইপিআইয়ের আওতায় শিশুর ৯ মাস বয়সে এমএমআর-এর প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার চলে যাওয়ার পর ৫ম সেক্টর প্রোগ্রাম থেকে বের হয়ে আসার প্ল্যান করে অন্তর্বর্তী সরকার। সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ থাকায় ইপিআইয়ের টিকা কেনা হয়নি।
ফলে ২০২৫ সালে দেশে ইপিআইয়ের টিকা সংকট দেখা দেয়।

নূরজাহান বেগম গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ইউনূসের দীর্ঘদিনের সহযোগী এবং গ্রামীণ পরিবারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ছিলেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *