ঢাকা: বাংলাদেশে মারাত্মক জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এর সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশে। তাছাড়া সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা তো আছেই।

সবমিলিয়ে বাংলাদেশকে এখন সবচেয়ে তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

লোডশেডিং বেড়েছে, সরকারি অফিসে এসি কমানো, আলো বন্ধ রাখা, ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু এবং কিছু এলাকায় অনলাইন ক্লাসের চিন্তাও করা হচ্ছে।

শুধু তাই না, পোশাক শিল্প, কৃষি ও পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাত ৮টার মধ্যে সব ধরনের দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি।

আজ, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহায়তা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যদিও এই নির্দেশনার বাইরেই থাকবে ফার্মেসি, হোটেল, কাঁচাবাজার এবং অন্যান্য জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *