ঢাকা: দেশ গড়ার নাম করে এসে বাংলাদেশটাকে খুবলে খেয়ে ফেলেছেন জঙ্গী ইউনূস।

জঙ্গী আন্দোলন করে একটা নির্বাচিত সরকার ফেলে দেয়া হয়েছে। সেই শেখ হাসিনাকেই এখন সংকটকালে দেশবাসী আশীর্বাদ হিসেবে স্মরণ করছে।

৮ আগস্ট ২০২৪–এর পর ইউনূস রাষ্ট্রীয় প্রভাব ব্যবহার করে নিজের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেন। একই সময়ে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ করিয়েছেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভণ্ড মানুষটা হচ্ছেন এই ইউনূস। ক্ষমতায় থাকার দেড় বছরে ইউনূস রাষ্ট্র পরিচালনার চেয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত ছিলেন।

নিজের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবসায়িক সুবিধা বাগিয়ে নেওয়া, প্রভাব খাটিয়ে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা—এসবই ছিল তার কর্মকাণ্ডের মূল বৈশিষ্ট্য।

সর্বক্ষণ নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেছেন এই অশান্তির জনক।

“ওকে ধরো, একে মারো”—এই ধরনের সহিংস রাজনৈতিক পরিবেশই তখন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবহেলা দেখা গেছে জনস্বাস্থ্য খাতে। গত কয়েক মাসে দেশে হামের কারণে ৫০–এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এই মৃত্যুগুলো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল নয়; এগুলো ইউনূসের ব্যর্থতা এবং দায়িত্বহীনতার ফল।

সময়মতো টিকা দিলে, টিকাদান কর্মসূচি সচল রাখলে আজকে দেশে শিশুগুলো মর্মান্তিকভাবে মারা যেতো না।

ইউনূস যা করেছেন, তার ফলাফল এখন চোখের সামনে—হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, শিশু মারা যাচ্ছে, পরিবারগুলো শোকের ভার বইছে। এই প্রতিটি মৃত্যুর দায় এড়ানোর সুযোগ ইউনূসের নেই।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হামে টিকাদান চালু ছিলো, টিকা কার্ডের ছবি প্রকাশ করে জনগণ প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের টিকা প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিলো ইউনূস সরকার। যা নিয়ে এখন তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিএনপি সরকার কি এই খুনীর কোনো বিচার আদৌ করবে?

সারাদেশে আশংকাজনক হারে বেড়েছে হাম সংক্রমণে টিকা না পেয়ে মৃত্যুর ঘটনা। প্রতিটি হাসপাতালে হামের রোগী বাড়ছে। হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার ও নার্সদের। তারমধ্যে দেশে নেই হামের কোনো টিকা।

জঙ্গী ইউনূসের তীব্র নিন্দা জানালেন লেখক তসলিমা নাসরিন। এর আগেও তিনি ইউনূসের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছেন।

তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “লোকটি যত সুযোগ সুবিধে আরাম আয়েশ ভোগ করার করেছে। ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফ করেছে। ৬৬৬ নম্বরটি খুব সিগনিফিকেন্ট।

এই নম্বরটি শয়তানের প্রতীক নম্বর।
শয়তানও নোবেল বাগাতে পারে। নোবেলটাকেই কলঙ্কিত করেছে এই লোক”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *