ঢাকা: রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বিভিন্ন কাজের অজুহাতে জঙ্গী গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ রেখে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। যা নিশ্চিতভাবেই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

এই দলেরা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে প্রায়ই অভিযোগ তুলে আসছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ৷

তবে বিএসএফের তৎপরতায় স্থলপথে অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেও নদী বা জলা জায়গা অধ্যুষিত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ রোখা কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে যায় বিএসএফের জন্য।

এই জন্য বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তের নদীপথ ও জলাভূমিতে বিষাক্ত সাপ ও কুমির ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গেছে ।

বৃহস্পতিবার ’দ্য ফেডারেল’ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এবং এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ভালো হবে বলছে ভারতের জনগণ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও বেআইনি কার্যকলাপ রোধ করতে যেসব স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেসব ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ নদীপথ এবং জলাভূমিগুলোতে বিষাক্ত সাপ, কুমিরের মতো সরীসৃপ ছাড়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করার কথা বলা হচ্ছে।

বিএসএফ গত কয়েক বছর ধরে সীমান্ত রক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে শুরু করেছে।

সীমান্ত সুরক্ষার জন্য বিএসএফ অনেক জায়গাতেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের মত রাজ্যগুলোতে সীমান্তের কিছু অংশ বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে; যাতে মানুষের অবৈধ চলাচল ঠেকানো যায়।

সাপ ও কুমিরসহ সরীসৃপের ব্যবহার একটি নতুনত্ব হবে।

৯ ফেব্রুয়ারি বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে ২০ মার্চ বিএসএফের নয়াদিল্লি সদর দপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তাদের আরেকটি বৈঠকে বিষয়টি ওঠে। এর পর পর মাঠপর্যায়ের সিনিয়র কর্মকর্তাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *