ঢাকা: আবারও বাড়ানো হলো এলপিজি সিলিন্ডারের দাম। তবে সরকারি দামে সিলিন্ডার নেই কোথাও। কোথাও ২২০০, কোথাও ২৩০০ কোথাও এর বেশি।

দেশে যারা সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ, তাদের জন্য জীবনধারণ যেন দিন দিন এক কঠিন লড়াই হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই বাজারে রান্নার গ্যাসের দাম বারবার বেড়ে যাওয়া মানে হলো সাধারণের পকেটে সরাসরি আঘাত।

এছাড়াও আছে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি।
সিলিন্ডার প্রতি এই বাড়তি টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক পরিবারকে এখন হয়তো খাবারের তালিকা ছোট করতে হবে।

​এলপিজি গ্যাসের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জোর দাবি উঠছ।

এছাড়াও বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের তরফে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেই। এই নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগছে মানুষ।

সাধারণের বেঁচে থাকার নূন্যতম অধিকারটুকু যদি কেড়ে নেয়া হয় তাহলে কীভাবে কী হবে ?

দেখা গেছে রাজধানীর বাজারে যেন এক ধরনের অস্থিরতা। ঈদের আনন্দ শেষ হতে না হতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ার ধাক্কায় পড়েছে সাধারণ মানুষ। হাঁসফাঁস অবস্থা সকলের।

মাছ, মাংসসহ সবধরনের সবজির দাম বেড়েছে। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিওরা বাজারে গিয়ে ভাবতে থাকেন কী কমিয়ে কী নেয়া যায়?

জ্বালানি সংকটের ঢেউ এসে লেগেছে দেশের বাজারে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম ঊর্ধ্বমুখী।

খাসির মাংস, ব্রয়লারসহ সোনালি মুরগির দাম বেড়ে আকাশ ছোঁয়া।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার, বিশেষ করে মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ও রায়েরবাজার এলাকায় দেখা যায়, বেশিরভাগ পণ্যের দামই বেশি।

মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই।

পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে শুরু করে ৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং কই-শিং জাতের মাছ ৪০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *