ঢাকা: জামাতিদের চোখে নারী ভোগ্য বস্তু, আর পতিতা ছাড়া আর কিছু নয়। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের পতিতা বলেছেন।
আর আমির হামজা তো কুষ্টিয়ার উপরওয়ালা! তিনি তো আরো যা ইচ্ছা হচ্ছে তাই বলছেন।
কথিত সাংসদ আমির হামজা, তিনি বাংলাদেশের নতুন সাইকোপ্যাথ রোগী।
মুখে যখন যেটা আসে তিনি সেটাই বলেন।
একজন মাননীয় সংসদ সদস্য তথা এম পি কি বলবেন, কি বলবেন না, সেটাও তিনি বুঝেন না। এদের সেই জ্ঞান বোধটুকুই নেই।
মানুষকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলেন। বডি শেমিং করেন মহিলাদের। অথচ এই নরপিশাচ, পুরুষতান্ত্রিকদের ধরার কেউ নেই।
মির্জা আব্বাস সাহেবের রোগ নিয়ে হাসি ঠাট্টা করেছেন, বর্তমান সংসদের নারী মহিলা এমপিদের পেট নিয়ে কথা বলেছেন।
রাসমিকা মান্দানা ও পরিমনির কথা আর নাইবা বললাম।
সম্প্রতি এক ওয়াজ মাহফিলে কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ও ইসলামি বক্তা আমির হামজার নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে বডি শেমিং করেছেন। তাঁর এহেন মন্তব্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস ও শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে গিয়ে সমাবেশ করেন তারা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমবারের মতো নির্বাচিত এমপি আমির হামজা সংসদে পাশে বসা নারী সদস্যদের নিয়ে বিদ্রূপ মন্তব্য করছেন।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘রুমিন ফারহানা আপা আছে, মন্ত্রী পটলের মেয়ে আছে, ফারজানা শারমিন। আমার ডানে-বামে এমন ভুঁড়িওয়ালা লোক পেয়েছি, যেহেতু এগুলো সিরিয়াল করা থাকে আগে থেকে, কে কোথায় বসবে আমরা জানিও না।
আল্লাহর ইশারা ভেতরে গিয়ে দেখি, আমার ডানে-বামে ভুঁড়িওয়ালা। এমন বড় বড় ভুঁড়ি, আমার মনে হয় ভুঁড়ি ছিঁড়লে ভেতর থেকে ব্রিজ-কালভার্ট বের হবে। মহিলারা ওদের দেখলে লজ্জা পাবে।’
