ঢাকা: জামায়াতের এমপি আমির হামজা ওয়াজ মাহফিলে সংসদ সদস্যদের নিয়ে যে নোংরামি করেছেন, নারী সাংসদদের বিষয়ে নোংরা কথা বলেছেন, এমন কথা বলা তাঁর জন্য নতুন নয়। কিন্তু তারপরেও এদের বিচার হয় না।
আমির হামজার মতো এমন শয়তান আরো আছে। এই জামাতের স্বভাব অনেক পুরনো। এটাই জামাত। একে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কোনো দরকার নেই।
কুষ্টিয়ার উপরওয়ালা ভেবে বসা আমির হামজার বিরুদ্ধে ঘৃণা ছুঁড়ছে জনগণ। কিন্তু ঘৃণাতেই তো শেষ হয় না। এরা সমাজের জন্য বিপজ্জনক, ভাইরাস। যে মানসিকতা লালন করে জামাত সেটা দেশদ্রোহী মানসিকতা।
জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে জাতীয় সংসদে বিচার চেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
রবিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এই দাবি করেন।
ভিডিওতে আমির হামজাকে বলতে শোনা যায়, ‘রুমিন ফারহানা আপা আছে, মন্ত্রী পটলের মেয়ে আছে, ফারজানা শারমিন। আমার ডানে-বামে এমন ভুঁড়িওয়ালা লোক পেয়েছি, যেহেতু এগুলো সিরিয়াল করা থাকে আগে থেকে, কে কোথায় বসবে আমরা জানিও না। আল্লাহর ইশারা ভেতরে গিয়ে দেখি, আমার ডানে-বামে ভুঁড়িওয়ালা। এমন বড় বড় ভুঁড়ি, আমার মনে হয় ভুঁড়ি ছিঁড়লে ভেতর থেকে ব্রিজ-কালভার্ট বের হবে। মহিলারা ওদের দেখলে লজ্জা পাবে।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে রুমিন ফারহানা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি আপনার দৃষ্টিতে আরেকটি খবর আনতে চাই। আজকে ডেইলি স্টারে খবর প্রকাশিত হয়েছে—এই সংসদে উপস্থিত আমি এবং আমার আরও দুজন নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে এই সংসদে উপস্থিত আরেকজন সদস্য যে কদাকার, কুৎসিত ভাষায় ওয়াজ মাহফিল করেছে, যে কুৎসিত ভাষায় বক্তব্য দিয়েছে, আমি আপনার কাছে এই ব্যাপারে বিচার চাইছি। সংসদে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনি বিষয়টিকে দেখবেন।’
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনি রুলস অব প্রসিডিওর পড়লে দেখবেন যে সংবাদপত্রের রিপোর্টিং নিয়ে কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হয় না।’
