ঢাকা: সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা, জেন-জি, সংবিধান সংস্কার, গণভোট, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজনীতি, ভারত বিরোধিতা, একাত্তরের পরাজয়ের দলিল, এসব জামাত-শিবিরের রাজনীতি।
হাদী ব্যবসার মূলেও ছিলো স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির আস্ফালন।
সংবিধান নিয়ে পাকিস্তানের ঔরসে জন্ম নেয়া সন্তানদের ভীষণ গায়ে মনে জ্বালা।
আজ আবার রাজপথে নামবে রাজাকারের দল।
জুলাই সনদ কার্যকর এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় অনুযায়ী দ্রুত সংবিধান সংস্কারের দাবিতে আজ রাজপথে নামছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
শনিবার, ৪ এপ্রিল বাদ আসর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি বিক্ষোভ সমাবেশ করবে তারা।
উল্লেখযোগ্য যে, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গুলশানে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াঁজো কমিটির বৈঠক শেষে এই কর্মসূচির কথা জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ।
সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আজাদ অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়ে অনেকটা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই।’
হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। সরকার যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে আগামী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) শীর্ষ নেতাদের পরবর্তী বৈঠক থেকে দীর্ঘমেয়াদী কঠোর আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে।
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি জামাতের কাছে নতি স্বীকার করেছে ইতিমধ্যে। জামাতকে কাবু করার মতো অস্ত্র তাদের হাতে নেই।
