ঢাকা: ছাপান্ন জেলায় হাম, বিপদগ্রস্ত শিশুদের অভিভাবকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পর্যন্ত এই নীরব মহামারীতে উদ্বেগ জানিয়ে লিখিত বিবৃতি দিয়েছে। তবে নেতারা ব্যস্ত রাজনীতি নিয়ে।

ইউনুস সরকারের আমলে দেশের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কার্যত ভেঙে পড়েছিল।

জঙ্গী ইউনূস বিষিয়ে দিয়ে গেছেন শিশুদের ভবিষ্যৎ। গত দুই বছরে লক্ষ লক্ষ শিশু হামের টিকা পায়নি। সেই ঘাটতি এখন মৃত্যু হয়ে ফিরে আসছে।

একটা সরকার যদি দেশ চালানোর ন্যূনতম দায়িত্ববোধ রাখত, তাহলে এই ঘাটতি তৈরি হতে দিত না। অথবা তৈরি হলেও দ্রুত সংকট শনাক্ত করে জরুরি ব্যবস্থা নিত।

এই সরকার ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়ে গেছে।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব কতটুকু মোকাবিলা করতে পারবে সেটা সরকারই জানে। হামের বাড়বাড়ন্তের পর আগামি ৩ মে থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।

এছাড়া আগামী ১২ মে থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল জেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এই কথা জানান।

আজ থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

উপজেলাগুলো হলো—  রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাগঞ্জ, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *