ঢাকা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ ভারতের সাহায্যের দিকে হাত বাড়িয়েছে।

এবং এই মুহূর্তে বাংলাদেশ খুব ভালোমতো বুঝেছে শেখ হাসিনা দেশ ভারতের কাছে বিক্রি করেননি বরং লাভ হয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যারা ধুয়ো তুলতো তারা আজও তুলছে, তবে মনে মনে।

তবে বাংলাদেশের সংকট, বিপদে সবসময়ই ভারত পাশে ছিলো এবং এখন অবধি আছে।

ডিজেল ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে ইতিমধ্যে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পার্বতীপুরে ডিজেল পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আগামী দিনে আরও ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা চলছে।

সংকটের সময় ভারতের সাহায্য।
বর্তমানে ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও শিল্পক্ষেত্রে চাপ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত দ্রুত সাড়া দিয়ে ডিজেল সরবরাহ করেছে।

সংকটের সময় বাংলাদেশ বারবার ভারতের কাছে সাহায্য চায় — এটি নতুন কিছু নয়।

ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির অংশ হিসেবে সহযোগিতা চলছে।

আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে তাঁদের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ন কবির জানিয়েছেন, ভারত থেকে পাইপলাইনে ডিজেল আনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া, দুই দেশের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করাই লক্ষ্য।

দুই দেশের মধ্যে পজেটিভ সম্পর্ক থাকলে অনেক কিছুর সমাধান সম্ভব।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *