ঢাকা: বাংলাদেশের ইসলাম ধর্মীয় বক্তাদের বক্তব্যের বিষয়ই হচ্ছে অন্য ধর্মের নিন্দা। অশ্লীলতায় ভরা এরা।

একে একে বিশ্ব বয়কট করছে এই ধর্মীয় মৌলবাদীদের।

আজহারির পরে এবার পালা শায়খ আহমাদুল্লাহর। শায়খ আহমাদুল্লাহ´র ভিসাও বাতিল করে দিলো অস্ট্রেলিয়া।

অন্য জাতি, ধর্ম, সম্প্রদায়, নারীদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো দেশের মুফতি, শায়খ, ইসলামি স্কলারদের একটি অন্যতম প্রিয় শখ। এসব বাদ দিলে তাদের আর বাকি আর কোনো জ্ঞান নেই।

কথার তালে তালে ঠিক ঠিক বলে তারা এবং ধর্মান্ধরা সব ঠিক করে দেয়।

জানা গেছে, শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। স্থানীয় সময় রবিবার (৫ এপ্রিল) তাঁর ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে, হিটলারের প্রশংসা, ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য এবং উগ্রবাদী প্রচারণার অভিযোগে মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারিকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে কর্তৃপক্ষ।

আজহারি বিষয়ে সিদ্ধান্তের পরই শায়খ আহমাদুল্লাহর বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয়া হলো।

জানতে পারা গেছে, সিডনি বিমানবন্দরে অস্ট্রেলিয়া ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।

দেশটির অভিবাসন–বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামোফোবিক বিবৃতিকারীদের প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারের কোনো সহনশীলতা নেই।

অতীতেও শায়খ আহমাদুল্লাহ ইহুদিদের ‘ঘৃণ্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। শুধু তাই না, এই শয়তান বিশ্ব অস্থিরতার জন্য ইহুদিদের দায়ী করেছিলেন।

ইহুদিদের দায়ী করে তাদের ‘পুতুল নাচানোর কারিগর’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এছাড়াও, ‘দুটি মাছ লড়াই করলেও তার পেছনে ইহুদি ষড়যন্ত্র থাকে’—এমন মন্তব্যের বিষয়টিও অস্ট্রেলিয়া সরকারের নজরে আসে।

উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিলের পর এটি দ্বিতীয় কোনো বাংলাদেশি বক্তার ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটলো।

আইপিডিসির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সফরের শুরুতে তিনি মেলবোর্নে পৌঁছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দেন।

সূচি অনুযায়ী, ৩ এপ্রিল মেলবোর্নের আল–তাকওয়া কলেজ, ৪ এপ্রিল সিডনির ডায়মন্ড ভেন্যু, ৬ এপ্রিল ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, ১০ এপ্রিল অ্যাডিলেডের উডভিল টাউন হল এবং ১১ এপ্রিল পার্থে তার ধারাবাহিক কর্মসূচি থাকার কথা ছিল।

তবে এসব কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই ঠিক আরেক ভণ্ড আজহারির মতো তাঁকেও অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে হলো।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *