ঢাকা: গণভোট তো নয়, এটা ছিলো সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন। একাত্তরের সংবিধান ভাঙার ষড়যন্ত্র।
দেশকে অচল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে গণভোট ইস্যু নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা।
গণভোটের মাধ্যমে দেশে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন বেশ উত্তপ্ত।
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো বিধান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত করা হলেও ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়।
আমরা তাই বলতেই পারি, গণভোট কী? খায় না মাথায় দেয়?
শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এটি জনগণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নয়, নেয়াও হয়নি। বরং সংবিধান ভাঙার রাজনৈতিক কৌশল।
রাজাকার, পাকিস্তানি শিবিরের দল ক্ষেপে উঠেছে পাগল কুকুরের মতো।
আরেহ, ভাই – এত ক্ষেপে ওঠার কী আছে? বিএনপি সরকার তো তোমাদের কথাতেই উঠছে আর বসছে! এইযে, সম্প্রতি কত কী ঘটে গেলো সংসদে! যা লজ্জাজনক!
জুলাই জঙ্গীরা পার পেয়ে গেলো, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধই থাকলো!
এদিকে, গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
বুধবার বিকাল ৫ টায় ছাত্রশিবির, ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক, ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি আসিফ আব্দুল্লাহ।
