ঢাকা: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনদিন অনলাইন ও তিনদিন অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগামিকাল থেকে শনিবার, সোমবার এবং বুধবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসে স্বাভাবিক শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ করবে। শুক্রবার স্কুল বন্ধ থাকবে।
আর অন্য দিনগুলোতে পাঠদান হবে অনলাইনে। রাজধানীর কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এভাবেই চলবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এর সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে টেকনিক্যাল কোর্স অন্তর্ভুক্তকরণ সংক্রান্ত এক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেছেন।
মন্ত্রী বলেন, বোর্ড পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর।
বর্তমানে প্রশ্ন প্রণয়ন, খাতা মূল্যায়ন এবং ফল প্রকাশসহ নানা কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হয়। এতে কর্মকর্তারা সুবিধা পান, কিন্তু শিক্ষার্থীদের দুই বছর পর্যন্ত সময় নষ্ট হয়।
১২ মাস চাকরি করে আটটা বোনাস নেওয়া যাবে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট হবে এটা হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজে না রেখে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে নিয়োজিত রাখা জরুরি।
একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু পরিদর্শক ধীরে ধীরে অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন বলে তথ্য এসেছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হবে।
অনেকেই বিদেশে প্রশিক্ষণ নিলেও দেশে ফিরে তা কার্যকরভাবে প্রয়োগে আগ্রহী নন। এই প্রবণতা বন্ধে তিনি নির্দেশ আছে, যে কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ে আসবেন, তাকে ন্যূনতম তিন বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে।
