মেহেরপুর: এরা নাকি ধর্ম পালন করে? ধর্মের জায়গায় ধর্ষণ কীভাবে? দেশের মাদ্রাসাগুলো ধর্ষণের কারখানা হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো মাদ্রাসা থেকে এই ধরনের খবর আসে।
মেহেরপুরের মুজিবনগরে একটি মাদ্রাসায় তিন ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর মাদ্রাসা ও থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় ও অভিভাবকরা।
বৃহস্পতিবার রাতে মুজিবনগর কেদারগঞ্জ বাজারে মুজিবনগর আইডিয়াল মাদ্রাসা ও দারুল হিফজখানা বোর্ডিংয়ে এই ঘটনা ঘটে।
মুজিবনগর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মওলানা তাহাজ উদ্দিন ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা।
জামাত তো চিরকাল ধর্ষক। ধর্ম বেচে দেশ হাতের মুঠোয় নিয়ে চায় এরা।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে থানায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
পরে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ভুক্তভোগী শিশুদের।
গ্রেপ্তার নূর উদ্দিন ওই মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক। তিনি নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার টেংগাচোড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
জানা যায়, জামাতের কর্মীরা মাদ্রাসা রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসে। এতে স্থানীয়রা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে।
এ সময় পুলিশ মাদ্রাসায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে বিক্ষুদ্ধরা ঘটনার বিচার এবং জড়িত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের দাবিতে মুজিবনগর থানা ঘেরাও করে।
স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন জেলার শিশুরা এই বোর্ডিং মাদ্রাসায় থেকে পড়াশুনা করে। বৃহস্পতিবার রাতে তিন শিশুকে ‘ধর্ষণের’ ঘটনা জানাজানি হলে মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে বিক্ষুদ্ধ লোকজন।
