ঢাকা: সন্তান মারা গেলে কারো কোনো ক্ষতি হয় না, কারো কোনো দুঃখ হয় না। দুঃখ যা হয়, তা মায়ের। মায়ের মতো এই পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর কেউ নেই।

অথচ মায়ের কোল থেকে কেড়ে নেয়া হচ্ছে সন্তান। কেড়ে নেয়াই বলবো, কারণ টিকাকরণে গাফিলতি তো এমনি এমনি হয়নি।

জঙ্গী ইউনূসের গাফিলতি আর লোভের কারণে হয়েছে।

মা-বাবা কতো আশা আকাঙ্খা নিয়ে একটা সন্তান জন্ম দেন, এটা তাঁরাই জানেন। তাঁকে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে থাকে তাঁদের কতো স্বপ্ন।

এতো কষ্ট সাধনা করে একটা বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর তাঁরা দেখেন, রাষ্ট্রের গাফিলতির কারণে শিশুটি বেঁচে নেই।

যে কোন সভ্য রাষ্ট্র হলে এতোক্ষণে ইউনূস ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা বিচারের আওতায় আসতো। অথচ ইমামের দেশে এসবের কোন খবর নাই, কারো কোন দায়বদ্ধতা নাই। শুধু আছে চেতনা।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এবং একই সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ জন।

এছাড়াও সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৮৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ, শনিবার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এখন শুধু তথ্য জানানো হবে। অথচ যার কারণে দেশের এই পরিস্থিতি, তাঁর কী হবে? কোনো খবর নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৪৫ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ অবধি নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২,৪৮৯ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৮৫ জন। ভর্তি হয়েছে ৯ হাজার ৪৬৩ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৭ হাজার ২২ জন।

তবে এ তো সরকারি হিসেব, তাছাড়াও যে কত আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, তার সঠিক হিসেব নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *