কুষ্টিয়া: মহা সুন্দর সময় চলছে। কী ইউনূস কী তারেক— কারো থেকে কেউ কম না। জামাত ইউনূস তারেক একটাই রসুন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে চালাতে অপারগ, তিনি ব্যর্থ। শুধু এদিক ওদিক তাকালে, মুচকি হাসলেন আর আই হ্যাভ এ প্ল্যান বললে নিজের ওজন, জ্ঞান আকাশছোঁয়া হয়ে যায় না।

কোনোরকমে এখন তিনি বসে আছেন কুরসিতে। দেশ চালাচ্ছে জামাত শিবির।

এবার আবারো হামলা, তাণ্ডব চালানো হয়েছে পীরের আস্তানায়। এবং পীরকে মব করে হত্যা করা হয়েছে। আবার বলবেন না বিক্ষুব্ধ জনতা হত্যা করেছে! কারণ বিক্ষুব্ধ জনতা শব্দটা জঙ্গী, উগ্রবাদীদের সাথে যায় না।

কুষ্টিয়ায় শামীম নামের পীরকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ তুলে পীরকে, একজন নিরাপদ মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছে।

একদম দ্বীপু চন্দ্র দাসের হত্যার মতো ঘটনা। আচ্ছা, এই জঙ্গী কেবল মুসলমানরাই হয় কেন বলতে পারেন?

আর ওদিকে, পার্থক্য হলো, দ্বীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা করছে ইউনূস সরকার। আর আজ পীর শামীমকে হত্যা করেছে তারেক জিয়া সরকার।

জামাত অধ্যুষিত কুষ্টিয়ায় জঙ্গীরা  আক্রমণ করে মাজারের প্রধান পীরকে হত্যা করেছে। এখনো মব চলে,এর দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে, পীরের আস্তানায় হামলা চালায় উগ্রবাদীর দল। তারেক জিয়া সরকার যাদের ভয়ে এখন তটস্থ।

শামীম রেজা ওরফে শামীম জাহাঙ্গীরের বয়স ৪৫।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’-এ এই হামলার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, আজ দুপুরে কয়েকশ জঙ্গী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শামীম রেজার আস্তানায় হামলা চালায়।

পীরের আস্তানার ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় শামীম রেজাকে আস্তানা থেকে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শামীম রেজাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গোলাম-এ-বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দরবার শরিফে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে কথিত তৌহিদি জনতা। এতেই ক্ষান্ত থাকে নি তারা, দরবার শরিফের পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীমকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

এর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে কবর থেকে নুরাল পাগলের লাশ তুলে পুড়িয়ে দিয়েছিল তৌহিদি জনতা নামে কিছু উন্মাদ, উগ্রবাদী।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে এসব বিশৃঙ্খলা করছে পীর বিরোধীরা।

মানবাধিকার প্রশ্নে আপসহীন হতে চাইলে দরবার, মাজার, আখড়া’র নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।

মানবাধিকার শুধু শিক্ষিত, শহরের মানুষের থাকবে, পীরভক্ত, ফকিরপ্রেমী, বাউলদের থাকবে না—তা হয় না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *