ঢাকা: জামিন পেলেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। জুলাই আন্দোলনের সময়ের আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জামিন দিয়েছে আদালত।
ভুয়া মামলায় হেনস্থার শিকার হয়েছেন শিরীন শারমিন। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ, এবং দেশের জনগণ।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ শুনানির সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি।
তাঁর পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতে জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জাকির হোসাইন রোববার শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আশরাফুল আলম।
আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ।
তিনি বলেছেন, “শিরীন শারমিন চৌধুরীর আর কোনো মামলায় আটকাদেশ নাই। আমরা জামিননামা দাখিল করব। আজ অথবা কালই তিনি কারামুক্ত হবেন বলে আশা করছি।”
আসামির পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানিতে আইনজীবী ইবনুল কাওসার বলেন, “মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরী সম্পর্কে একটা শব্দও নাই। এজাহারে শুধু তার নামটায় আছে। তার কোয়ালিফিকেশন সম্পর্কে সবাই জানেন।”
উল্লেখযোগ্য যে, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
একদিকে শিরীন শারমিন চৌধুরী—যিনি দেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার আসনে ছিলেন। তাঁর গ্রেফতারিতে বহু প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি নিয়েই রয়েছে নানা প্রশ্ন।
অন্যদিকে আছে তথাকথিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামধারী নেতা হবিগঞ্জ জেলার মাহাদীর মতো কেউ প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে থানায় গিয়ে পুলিশকে থানায় আগুন দেওয়ার কথা বলার পরও নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়ায়, আইনের স্পর্শ তার নাগালেই পৌঁছায় না।
আইন কার জন্য? এটাই ন্যায়বিচার?
