যশোর: কালবৈশাখী ঝড়ে উলোটপালট হয়ে গেছে চারদিক। প্রকৃতির তাণ্ডবে দিশেহারা মানুষ।
মনিরামপুর ও কেশবপুরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জানা গেছে এখন পর্যন্ত ১৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। অসংখ্য জায়গায় তারের উপর গাছ পড়ে আছে। ঘরের টিনগুলো ভেঙে একাকার। যশোরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে শিলা বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে মৌসুমি ফলসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘরের ছাউনি উড়ে গেছে, অনেক ঘরের চালা ভেঙে পড়ে এবং বসতঘরের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় অন্তত ১৫০ বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়নি।
দেখা যায়, এলাকায় শত শত গাছ উপড়ে গেছে।
ঝড়ের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ব্যাপক কৃষি ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বড় বড় গাছ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে থাকায় কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে আকাশে হঠাৎ করেই কালো মেঘ উঠে হঠাৎ শুরু হয় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়। ঝড়ের গতি বেড়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যে ঘরের টিন ও কাঠামো ছিটকে পড়ে।
অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও বসতঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
হঠাৎ করে এমন দুর্ভোগে কষ্টে পড়ে গেছে পরিবারগুলো।
