ঢাকা: শেখ হাসিনা তো ফ্যাসিস্ট ছিলেন তাই না? (হাহা, ব্যঙ্গ করে বললাম) অথচ তাঁর আমলের উন্নতি কিন্তু ব্যবহার করতে খুব আনন্দ!
আওয়ামিলীগ শাসন আমলে সবচেয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তৈরিকৃত ব্যয়বহুল প্রকল্পের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিলো অন্যতম।
আসেন সবাই মিলে ফ্যাস্টিটদের তৈরিকৃত পরমাণু বিদ্যুৎ প্রত্যাখ্যান করি? (হাহা) আমাদের দেশীয় হারিকেন ইন্ডাস্ট্রি পুনরুজ্জীবিত করি, কী বলেন!?
যাই হোক, দেশে জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং যখন চরম পর্যায়ে, তখন আশার আলো হয়ে উঠেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিশনিং লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাসমূহের পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট পার্সোনেল অথরাইজেশন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মঈনুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হতে চলেছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে হতে পারে।
উল্লেখযোগ্য যে, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম, যা দেশের প্রায় ১০% বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
অর্থাৎ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট (MW), অর্থাৎ কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা হলো ২,৪০০ মেগাওয়াট।
শেখ হাসিনার অদম্য সাহস ও প্রজ্ঞার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ আধুনিক ও টেকসই বিদ্যুৎ খাতের দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেল।
সাধারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেখানে প্রতি ইউনিট খরচ প্রায় ১২ টাকার মতো, সেখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ প্রায় ৫ টাকার কাছাকাছি হতে পারে—যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি সাশ্রয়ী হতে পারে।
