ঢাকা: বিদ্যুৎ নেই। পাম্পে তেল নেই। অথচ দায়িত্বশীল জায়গা থেকে বলা হচ্ছে দেশে কোনো সংকট নেই। দেশে দুরবস্থা শুরু হয়েছে। অভাব ছিলো আওয়ামী লীগের সময়েও। কিন্তু মানুষ চলতে পেরেছে। সরকার টেনে নিয়ে গেছে। এখন তো আর অবস্থা নেই!
অথচ ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড সহ নানা কার্ড দিয়ে মানুষকে টাকা দিচ্ছে। ঋণের টাকায় অনুদান দিলে অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে?
সন্ধ্যায় দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কীভাবে সংসার চালাবেন ?
জিনিসপত্রের দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গিয়েছে।
দেশের সামগ্রিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।
এক ভুক্তভোগী বলছেন, ‘বাংলাদেশে তেলের কোনো সংকট নেই! চন্দ্রগঞ্জ পাম্পে রাতে তেল দেওয়া হবে শুনে রাত ২টা ৩০ মিনিটে ঘুম থেকে উঠলাম। কিন্তু পাম্পে গিয়ে যে পরিস্থিতি দেখলাম, তাতে মনে হলো দুপুর ২টা ৩০ মিনিটেও তেল পাওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত থাকতে রাত ৪টার দিকেই ফিরে এলাম’।
এইরকম করে জীবন চলে?
তেল নেই। এখন সাথে লবণেও টান বলেই জানা যাচ্ছে। ভোজ্য তেলের সংকট এখনো কাটেনি। অনেক দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই, কিছু কোম্পানির পণ্য তো পুরোপুরি গায়েব। মানুষ দোকানে ঘুরছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিসই পাচ্ছে না—এটাই এখন বাস্তবতা।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কারওয়ান বাজারে ক্রেতা নেই। নিত্যপণ্যের দাম এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সিলেটে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার অর্ধেক তেল পাচ্ছেন না পাম্প মালিকরা, তাঁরা এমনটাই বলছেন। এতে, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন চালকসহ সাধারণ মানুষ।
অধিকাংশ পাম্পগুলোতে ঝুলছে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কোনো পাম্পে জ্বালানি তেল না পেয়ে মারাত্মক বিপদে
পড়েছেন যানবাহনের চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা।
আয় রোজগার বন্ধ করে, দেশটাকে তালা মারতে হবে- পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
