ঢাকা: জ্বরের রোগীকে কুকুরের জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দিয়ে দিলেন চিকিৎসক। এই হচ্ছে আমাদের হাসপাতাল আর ডাক্তারদের অবস্থা! দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় জনগণ কেন আস্থা রাখতে পারে না? স্বাধীনতার এত বছর পরেও কেন চিকিৎসা ব্যবস্থাকে একটা ঠিকঠাক জায়গায় আনা গেলো না?

এক একটা ঘটনা এমন ঘটছে যে মানুষ শিউড়ে উঠছে রীতিমতো।

জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের একটি ছোট্ট শিশুকে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন (এআরভি) পুশ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার আবু ইউসুফকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।

যে চিকিৎসক এই কাজটা করেছেন তার নাম আবু ইউসুফ।

তাকে চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে বদলি করায় স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বদলি করলেই দায়িত্ব শেষ? সেখানেও তো একই কাণ্ড করে বসে থাকবেন!

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গত ৮ এপ্রিল চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আলিফা (৫) নামের এক শিশুকে নিয়ে তার পরিবার হাসপাতালে আসে। শিশুটির গায়ে জ্বর ছিলো।

কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু ইউসুফ নাকি অসাবধানতাবশত অন্য এক রোগীর জন্য আনা জলাতঙ্ক নিরোধক ভ্যাকসিন ওই শিশুর শরীরে পুশ করে দেন! এ কী ডাক্তার না ঘাতক?

এই কাণ্ডজ্ঞানহীন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং চিকিৎসকের দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ঘটনাটি তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ এপ্রিল এক আদেশের মাধ্যমে আবু ইউসুফকে শাহরাস্তি থেকে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শাস্তিমূলক বদলি করে।

এমন অদক্ষ বা দায়িত্বজ্ঞানহীন চিকিৎসকের শাস্তি কেবল বদলি? আর কোনো ব্যবস্থা নেই? হায় সরকার!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *