কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার উপরওয়ালা আমির হামজার কোন দোষের কথাটা বলবো? এরা কেবল দোষী না। এরা হচ্ছে ভাইরাস। সমাজে এমনভাবে এই জামাত শিবির ভাইরাস ছড়াচ্ছে যে গোটা সমাজ, দেশটাকে পচন ধরিয়েছে।

এরা মানুষ কী পরবে, মানুষ কীভাবে চলবে, কথা বলবে, সব নীতি নির্ধারণ করে দেয়।

এই বদমাশ হামজার বিরুদ্ধে এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

এর আগে, জ্বালানি মন্ত্রী টুকু বলেছিলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ ধর্মীয় রাজনীতির জন্য করা হয়নি। আর এই কারণে হামজার গা জ্বলে ওঠে। এই রাজাকার জ্বালানি মন্ত্রীকে বলেছিলেন ইসলাম বিদ্বেষী এবং নাস্তিক।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সিরাজগঞ্জের আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে চৌহালী আমলী আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।

২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল।

এরপর গত ১৯ এপ্রিল আমির হামজাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি আদালতের সমন উপেক্ষা করেছেন। উপস্থিত হননি।

নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন বিচারক।

এই আমির হামজা লোকটা এতটাই বিকৃত রুচির, অসভ্য যে এর আর প্রমাণ দেবার প্রয়োজন নেই।

জামায়াতের এমপি আমির হামজা সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর গিয়ে ওয়াজ করেছেন।

সেই ওয়াজে নিজের সংসদের সহকর্মীদের নিয়ে বলছে, “রুমিন ফারহানা আপা আছে। এরপর এই যে মন্ত্রী পটলের মেয়ে আছে, ফারজানা শারমিন। আমার বামে, ডাইনে এমন এমন বডিওয়ালা লোক পেয়েছি।”

আরও বলেছেন, “আল্লাহর ইশারা, ভেতরে গিয়ে দেখি আমার ডানে বামে শুধু বড়িওয়ালা। এমন এমন বড় বড় ভুড়ি,…..”

“রুমিন ফারহানা আপা আছে… আপারা আমার সামনে। আমার মাঝেমাঝে চিন্তা হয়, হায় আল্লাহ, আমার ডানে বামে যে অবস্থা, ম্যাডামগুলো যদি ওদের পেটের দিকে তাকায়, ভাববে আল্লাহ, ছেলেমেয়ে হয় আমাদের, আর পেট হয় হুজুরের পাশের দুইজনের। কী বডি, উকুন মারা যাবে বডির উপরে।”

এই কথাগুলো যখন বলছিলেন, তখন যদি আপনি তার মুখের দিকে তাকান, তবে দেখবেন খুবই বিকৃত ভঙ্গিতে কথা বলছেন, আর বাকিরা হাসছে।

চিন্তা করা যায়, একজন সংসদ সদস্য কতটা বিকৃত রুচির, অসভ্য, নারীবিদ্বেষী হতে পারে। বডিশেমিং, আরেকজনকে নাস্তিক বলে তার ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করা, কিছুই জামায়াতের এই সাংসদ বাদ রাখেনি।

এতদিনে নিজের দল জামাত তাঁর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *