ঢাকা: অসভ্য জামাতের সংসদ সদস্য আমির হামজা! ওয়াজ মাহফিলে বসে নারীদের বডিশেমিং করছেন।
ফারজানা পুতুল, নায়েবা ইউসুফ ও রুমিন ফারহানাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করছেন। মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছেন- অথচ এখন পর্যন্ত কোনো অ্যাকশন নেই এই উদ্ভট প্রাণীটির বিরুদ্ধে।
ভণ্ড, বদমাইশ আমির হামজা তথা জামাতকে যারা ভোট দিয়েছে, লজ্জিত হওয়া উচিত।
প্রতিনিয়ত দায়িত্বহীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
বিদ্বেষ বা তুচ্ছতাচ্ছিল্যের ভাষা কখনোই সুস্থ রাজনীতি বা সভ্য সমাজ গঠনে সহায়ক হতে পারে না।
যে ব্যক্তি নিজের কথার দায়িত্ব নিতে পারে না, সে কখনোই প্রকৃত নেতৃত্বের যোগ্য হতে পারে না।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মো.ফজলুর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মো. আমির হামজা মনে হয় না তারপরেও শোধরাবেন। কারণ জামাত শোধরায় না।
বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য-সচিব মো. আই ইয়াশ ইমনের আবেদনের ভিত্তিতে এই নোটিশ জারি করেন আইনজীবী মো. নূরুল ইসলাম।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রের একজন সম্মানিত ব্যক্তি।
মুফতি আমির হামজা সম্প্রতি এক বক্তব্যে ফজলুর রহমানকে ফজু পাগলা নামে আখ্যায়িত করেন। তাঁকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলেন আমির হামজা। এছাড়া ফজলুর রহমানকে কুকুর মারার ইনজেকশন দেয়ার কথাও উল্লেখ করেন জামায়াত দলীয় এই সংসদ সদস্য।
আইনজীবীর নোটিশে বলা হয়েছে, দেশ ও জাতির কাছে ফজলুর রহমানকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে এমন বক্তব্য দিয়েছেন আমির হামজা। এর মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ফজলুর রহমানের সম্মানহানি করা হয়েছে।
এসব বক্তব্যের কারণে ফজলুর রহমান সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগেও অশালীন বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে মুফতি আমির হামজাকে দুটি উকিল নোটিশ দেয়া হয়।
এছাড়া জ্বালানি মন্ত্রীকে নিয়ে দেয়া উস্কানিমূলক, অপমানজনক বক্তব্যের জেরে আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
