ঢাকা: ক্ষুধা নিরুদ্দেশ করে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’-বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত রেখেছিলেন তিনি।
মানুষ ক্ষুধা কী তা ভুলে গিয়েছিলো শেখ হাসিনার শাসনামলে। কিন্তু এখন? খাদ্যসংকটের তালিকায় ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ!
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুধার্ত মানুষের বসবাসের তালিকায় শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। যা মনে করাচ্ছে শেখ হাসিনা কীভাবে সামলে রেখেছিলেন দেশটাকে।
শুক্রবার প্রকাশিত ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
বিশ্বে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ হিসেবে এবারও সংঘাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে জাতিসংঘ-সমর্থিত ওই প্রতিবেদনে।
জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিভিন্ন মানবিক সহায়তা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
গত বছর বিশ্বের যে ১০টি দেশ সবচেয়ে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্য দিয়ে গেছে, সেই তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) প্রকাশিত গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস শীর্ষক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় থাকা শীর্ষ ১০টি দেশ হলো, আফগানিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো), মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন।
তবে সংঘাত কী শেখ হাসিনার সময় ছিলো না? অনেক প্রতিকূলতা ছিলো, কিন্তু সামাল দেয়ার দক্ষতা ছিলো তাঁর।
দেশকে লুটেপুটে যারা খেয়েছে, তাঁরা কি বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী নয়?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা এই পরিস্থিতিকে চূড়ান্তভাবে ঘনীভূত করেছে।
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিগত সরকারের প্রবর্তিত ১৪৫টি সামাজিক সুরক্ষা ভাতা কর্মসূচির প্রায় সবগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের চলমান খাদ্যসংকট ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতাকে আরো তীব্র করে তুলেছে।
এই কর্মসূচিগুলোর মধ্যে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতার মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিতে সহায়ক ছিল।
এসব ভাতা বন্ধ হওয়ায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো ভেঙে পড়েছে। তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার (২০০৯-২০২৪) বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছিল। এই কথা কী অস্বীকার করতে পারবে আজ কেউ?
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছে।
তার সরকারের আমলে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ছিল কৃষি মন্ত্রণালয়।
খাদ্য সংকটে যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পড়ে, তবে তার জন্য কেবল যুদ্ধ, সংঘাত দায়ী না। বাকিরাও দায়ী! যারা দেশের ভালো চায়নি কোনোদিন।
