ঢাকা: রাষ্ট্রের অবহেলার মাশুল দিচ্ছে ছোট্ট ছোট্ট প্রাণগুলো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছে জঙ্গী ইউনূস!
হাম অত্যন্ত মারাত্মক একটি সংক্রামক রোগ। একজন হামের রোগী থেকে গড়ে ১২-১৮ জন সুস্থ মানুষের সংক্রমণ হতে পারে।
হাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সমাজের অন্তত ৯৩% এর বেশি মানুষকে টিকার আওতায় থাকতে হয়।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আটজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হামের উপসর্গ একটা ফাউল কথা। আসলে ঐ হামেই মৃত্যু। পরিসংখ্যান লুকোনোর অনেক চেষ্টাই হচ্ছে বলে অভিযোগ।
এবং বলা হয়, একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪২১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন অবধি ৩২ হাজার ২৮ জনের হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
আজ, রবিবার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে হাম বিষয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই হিসাব শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৩ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৪ হাজার ৬০৩ জনে। তবে বাস্তবে সংখ্যাটা আরো বেশি।
এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬ জনে।
