ঢাকা: মুহাম্মদ ইউনূস এমন ব্যক্তি যিনি মানি লাভার, পাওয়ার লাভার। তাঁর মতো লোভী ব্যক্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভেরি ভেরি ইমপর্ট্যান্ট পারসন’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে।
সে হিসাবে আগামি ১০ আগস্টের পর তিনি আর এ মর্যাদা পাবেন না। এরপর থেকে তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই বিষয়ে আনিস আলমগীর বলেন, “ক্ষমতা ছাড়ার ক’দিন আগে গোপনে নিজেকে নিজে ভিভিআইপি ঘোষণা করে এক বছরের জন্য SSF সুবিধা নিয়েছিল বেহায়াটা। এখন সেটি ছয় মাসে নেমে এল। ভিভিআইপি মর্যাদা আর এসএসএফ সুবিধা যেন “ট্রায়াল ভার্সন”- আগে ফুল প্যাকেজ, এখন হাফ সাবস্ক্রিপশন।
মনে হচ্ছে বাস্তবতা একটু আপডেট দিয়েছে- ক্ষমতা কমলে প্রোটোকলও স্লিম হয়ে যায়।
আব তেরা ক্যা হোগা কালিয়া (বিশ্ব বাটপার)? ক্যা আপ সড়ক পর আকেলে চল সকতে হ্যাঁ”?
পৃথিবীর কোথাও শুনেছেন, নিজেকে নিজেই “ভিভিআইপি” ঘোষণা করেছেন?বাংলাদেশের এই ম্যান করেছেন। দেশটাকে দেউলিয়া করে, আমেরিকার কাছে বাংলাদেশকে গোলাম বানিয়ে তারপর চেয়ার থেকে নেমেছেন।
জনগণের ভোটে নয়, রাষ্ট্রের স্বীকৃতিতে নয়,
নিজের কলমে নিজের বিশেষ মর্যাদা লিখে নিয়েছেন।
নিজ প্রতিষ্ঠানের জন্য কর মওকুফ,কী না করেছেন? ক্ষমতার অপব্যবহারের নগ্ন প্রদর্শনী।
জনগণের নামে, উন্নয়নের নামে, আদর্শের নামে গড়ে উঠেছে ব্যক্তিস্বার্থের দুর্গ!
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করে জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ এক বছরের জায়গায় ছয় মাস করা হয়েছে। ফলে তিনি ১০ আগস্টের পর আর কোনো ভিভিআইপি নিরাপত্তা পাবেন না।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা দেন।
নির্বাচনের মাত্র দুইদিন আগে তথা ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়।
তবে সেটি এখন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে নেই। সাধারণত সরকারের সব গেজেট এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পুরনো সব গেজেটও এখানে পাওয়া যায়।
এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই করা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এসএসএফের নিরাপত্তা–সুবিধা পাচ্ছেন।
একজন ভিভিআইপি হিসেবে তাঁর বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্বপালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা।
এমনকি ইউনূসের উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে এবং দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
