ঢাকা: বাংলাদেশ জঙ্গীর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ইউনূস ক্ষমতায় থাকার সময় প্রায় ৭০০ জঙ্গীকে কারাগার মুক্ত করেছেন এবং জঙ্গীর চলাচলের পথটা আরো সহজ করে দিয়েছেন।
সম্প্রতি বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো সামনে আসছে।
একটি দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার প্রধান অন্তরায় হলো উগ্রবাদ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো তাদের প্রচার ও প্রসারের জন্য নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো খেলাধুলা বা শরীরচর্চার আড়ালে তরুণদের মগজধোলাই করা।
বর্তমানে অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থাসমূহকে সতর্ক থাকতে হবে যে, আত্মরক্ষার আড়ালে তাদের সন্তানরা কোনো মরণনেশায় জড়িয়ে পড়ছে কি না।
সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাসমূহ দ্রুত ইন্টেরিম আমলে অবাধে মুক্ত করা জঙ্গীদের গ্রেপ্তার ও এই পুরো নেটওয়ার্কটিকে চিহ্নিত করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আশা করা যায়।তথা বিএনপি সরকারের সামনে একটি চ্যালেঞ্জ।
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার সতর্কতার জারিতে হযরত শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে।
চিঠি পাওয়ার পরেই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যরাইভাল এবং ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। কোনও কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
বেবিচকের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা মাঝে মাঝে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।”
যেসব বিমানবন্দরে রাতে বিমান ওঠানামা করে না— সেগুলোকেও রাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “পুলিশ সদর দফতর যে চিঠি দিয়েছে তারই প্রেক্ষিতে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এমনটি না, আমরা মাঝে মাঝে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করি। এরই অংশ বলা যায়।”
তিনি আরও বলেন, “সিকিউরিটি পারসন ছাড়া বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিতে যেন কোনও ঘাটতি না করা হয় সেজন্যও আমরা বলেছি। শাহজালাল বিমানবন্দরের নানা স্থানে এন্ট্রি পয়েন্ট— সেগুলোতেও নিরাপত্তা ঘাটতি যেন না থাকে তার জন্য বলা হয়েছে।”
দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সরকারি স্থাপনায় একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি দাফতরিক চিঠির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই সতর্কতা জারি করা হয়।
