ঢাকা: রূপপুর নিয়ে অপপ্রচার অনেক হয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎকেন্দ্র নিয়ে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র- গুজবের অন্ত ছিলো না। এর মধ্যে একটি হলো শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বৃহৎ অঙ্কের ঘুষ নেওয়া। যেটিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত গুজব বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব বলে জানিয়েছেন ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ম্যান্টিটস্কি।

আলেক্সান্ডার ম্যান্টিটস্কি বলেন, পাঁচ বিলিয়ন ডলার একটি বড় অঙ্কের অর্থ, যেখানে প্রকল্পের কাজ এখনও চলমান, সেখান থেকে এত বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ইটস রিউমারস অ্যান্ড কমপ্লিটলি ফলস।

এই গুজবকে কেন্দ্র করে অনেক গলাবাজি করেছে বিএনপি, জামাত ও নব্য গজিয়ে ওঠা টোকাই এনসিপি।

এভাবেই আওয়ামী লীগের করা মেগা প্রজেক্ট গুলিকে গুজব, মিথ্যা দিয়ে আটকাতে চেয়েছে রাজাকারের দলেরা। দেশের কল্যাণ তাঁরা কোনোদিন চায়নি।

সব অপপ্রচার ভেঙে দিয়েছেন রুশ রাষ্ট্রদূত। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা গুজব’ বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মঙ্গলবার বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এই মেগা প্রকল্প সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছেন এখনো। কারণ এতে তাঁর অবদান অস্বীকার করার মতো নয়। কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতেই হবে।

তবে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পুরনো, ভিত্তিহীন দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে সামনে আনার চেষ্টা করছে। ভালোকে তো তারা ভালো বলতে পারে না। বরং ভালোকে কীভাবে আবর্জনা দিয়ে ঢাকা যায়, সে চেষ্টাই তারা করে আসছে যুগের পর যুগ।

এই প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ম‍্যান্টিটস্কি স্পষ্টভাবে এসব অভিযোগকে “মিথ্যা গুজব” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

২৫ আগস্ট ২০২৪ সাংবাদিকদের তিনি পরিষ্কার বলেছেন-

“সত্যি কথা বলতে, প্রথমত এটি একটি গুজব এবং মিথ্যা গুজব। আপনাদের বোঝা উচিত। আমাদের কোম্পানি ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে।”

রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক-এর বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের যে অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা।

তিনি বলেন:

“পাঁচ বিলিয়ন ডলার—এটি একটি বিশাল অঙ্ক। নির্মাণ চলাকালে কীভাবে এমন অর্থ কাউকে দেওয়া সম্ভব? আপনারা কি মনে করেন আমরা এতটাই অযৌক্তিক?”

সমস্তটাই হচ্ছে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত বিদেশি সংস্থাগুলো থেকেও এমন অভিযোগ নাকচ করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

তাদের মতে, প্রকল্পটি নির্ধারিত কাঠামো অনুসারেই এগোচ্ছে এবং আর্থিক লেনদেনও স্বচ্ছতার মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। এখানে কোনো দুর্নীতি নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *