ঢাকা: বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। এই ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
অর্থাৎ গোলামীর বাণিজ্য চুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে সরকার। আমেরিকা থেকে উচ্চ মূল্যে গমও কিনেছে।
তবে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে লজ্জা পাচ্ছেন। কারণ ওটা হচ্ছে গোলামীর চুক্তি। আর ইউনূস হচ্ছেন সাচ্চা মুসলমান। তাই যদি শুকরও কিনতে হয় বাংলাদেশকে , তবুও কেউ কোনো আওয়াজ দেবে না। এক্ষেত্রে কারো ধর্মে আঘাত লাগবে না!
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বলা হলো ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকায় ১৪ টি বোয়িং কেনা হবে।
বিএনপি সরকার প্রথমে বললো ২.৮ বিলিয়ন ডলার বা ৩৫ হাজার কোটি টাকায় কেনা হবে ১৪ টি বোয়িং বিমান।
অথচ ৩০ এপ্রিল ১৪ টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি করা হলো ৩.৭ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকায়। মানে একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে গেলো ১০ হাজার কোটি টাকা!?
কমিশন বাণিজ্য? এই বিমান কিনতে গিয়ে কমপক্ষে ১৫ হাজার কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। এই কমিশন কার পকেটে যাবে?
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চুক্তি সম্পন্ন হয়। একসঙ্গে এতগুলো উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম।
এসব উড়োজাহাজ কিনতে মোট খরচ পড়বে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় এখন ১৪টি উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে।
এসব উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। পর্যায়ক্রমে বাকিগুলো কেনারও চুক্তি হবে বলে জানা যায়।
এদিন, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। যার মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন মার্কেটে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
