ঢাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল ভরাডুবি হয়েছে।

বঙ্গে পদ্ম ফোটালো ভারতীয় জনতা পার্টি।

মূলত একটা কারণ নেই, বেশ কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণের জন্য ২০২৬ এ পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাদের মধ্যে মুসলিম তোষণ একটি প্রধান কারণ, যা বাস্তবিকভাবে যথেষ্ট স্ট্রাইক করেছে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের মনে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, ইমামদের বেতন , দুর্গা পুজোর প্রতিমা বিসর্জনে বাঁধা দেওয়া , মূর্তি ভাঙচুর, বিজেপি বিরোধী নীতিসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের ভারতবিরোধী প্রজন্মের কাছে মমতা ব্যানার্জি খুব জনপ্রিয় ছিলেন ।

২০১৯ সালে তার গাড়ির সামনে ” জয় শ্রীরাম ” স্লোগানে তিনি খুব ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তেড়ে যেতেন রামের নাম শুনলে। এরকম বহু কারণ আছে এবার মমতার পরাজয়ের।‌

বাংলাদেশের জঙ্গীদের মনে আতঙ্ক ঢুকে গিয়েছে। জঙ্গী ও সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এদের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থের চাইতেও মমতা ও তাদের জঙ্গী স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য এই জঙ্গীরা ২০২৪ সালে ” দিল্লী না ঢাকা ” স্লোগান দিলেও এদের হৃদয়ে আসলে মমতা ব্যানার্জি তথা ” দিদি” ।

দিদি পরাজিত হওয়ায় বাঙ্গুরা কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাতে শুরু করেছে।

যাই হোক, এবারে পশ্চিমবঙ্গে এই পটপরিবর্তন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

এবার রাজ্যে ও কেন্দ্রে একই দল (বিজেপি) ক্ষমতায় আসায় তিস্তা চুক্তি হয়তো আশার আলো দেখতে পারে। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এবং পাশাপাশি, ভারত সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে পেশাদার কূটনীতিকের বদলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দিনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দিয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক মন্ত্রী তিনি পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ দেন।

ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে নতুন ভারসাম্য আনতে ত্রিবেদীর নিয়োগকে নতুন কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আশা করা হচ্ছে, সবকিছু ভালোই হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *