ঢাকা: জামাত শিবির রাজাকারের গোষ্ঠীর মুখে ইউনূসের গোলামি চুক্তি নিয়ে কোনো আওয়াজ নেই। এখন তারা বলে না কেন হেইইই আমেরিকা না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা!

অথচ শেখ হাসিনা নাকি ভারতের সাথে গোলামীর চুক্তি করেছেন এই বলে কত আহাজারি, কত নাটক! দিল্লি না ঢাকা স্লোগানে কেঁপে গেছে আকাশ বাতাস ভূমি সব।

শেখ হাসিনা যদি ভারতের সাথে গোলামি চুক্তিই করতেন তাহলে ভারত থেকে যে এখন সংকটকালে ডিজেল গুলো আসছে, সেই চুক্তি কেন বাতিল করলেন না? ওহ… স্বার্থ তো! স্বার্থ কিন্তু ভালো বোঝে রাজাকার, শয়তানের দল।

দেখাতে পেরেছে তারা একটাও গোলামি চুক্তি। অথচ বিদেশি দালাল, বাটপার আচম্বিতের ব্রতের মতো উদয় হয়ে বাংলাদেশকে আমেরিকার হাতে বিক্রি করে চলে গেলো! কারো মুখে রা নেই এখন। কথাই শেখেনি এখনো ওরা। কী করবেন!

এই যে zজেনারেশন আই মিন জামাতি জেনারেশন তোমরা না পরনের লুঙ্গী মাথায় তুলে দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিতা।

তোমরা এমন মেধাবীর মেধাবী যে দিল্লির তথাকথিত দাসত্ব নামের প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে এখন সত্যিকার অর্থে আমেরিকার দাসত্ব বরণ করছো।

পৃথিবীর অন্য মেধাবীরা যখন দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলে সেখানে তোমরা নিজের দেশকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে ফেলছো।

সেই দাসত্বের ফলে আজ বাংলাদেশের জনগণের টাকায় সস্তায় রাশিয়া থেকে তেল কিনতে আমেরিকার অনুমোদন লাগে।মানে এটা দেখে লজ্জা হয় না?

নাকি লজ্জা শরম সব ইউনুস জামাত বিএনপির কাছে বন্ধক দিয়ে রেখেছো।

নির্বাচনের ঠিক ৩ দিন আগে ড. ইউনুস তড়িঘড়ি করে দাসত্ব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেশকে বন্ধক রেখে সমঝোতা ও বাটোয়ারার নির্বাচনের প্ল্যানে বিএনপি-জামাতের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন।

সেই চুক্তি এখন তাদের গলার কাঁটা। এই ভয়ংকর কাঁটা পেটের ভিতরেও যাবে না বেরও হবে না। এমন ভয়াবহ অবস্থা।

এটা তাদের গলায় ক্ষত তৈরি করবে ধীরে ধীরে ইনফেকশন হবে, গলায় পচন ধরবে তারপর গলা কাটা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। বুঝলেন তো ব্যাপারটা? এত অনিষ্ট করার পরেও ইউনূসের বিচার হয় না!

মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিকে দেশবিরোধী উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে বের করা হয় মশাল মিছিল। এতে ইউনূস সরকারের করা চুক্তির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা।

মশাল মিছিলে অংশগ্রহণকারী গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা এ চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মিছিলটি টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘দেশবিরোধী’ এই চুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *