ঢাকা: সাকিব আল হাসান আওয়ামী লীগের সুসময়, দুঃসময় সবসময় সাথে আছেন। তিনি পাল্টি দেন না, একথা খোদ বলেছেন।
সাকিব বিশ্বাস করেন, দেশে আওয়ামি লিগের রাজনীতি এখন নিষিদ্ধ হলেও সবসময় থাকবে না। আওয়ামি লিগ ফিরবে। সাকিবও ফিরতে চান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা ছিল, অনেকবারই অনেক সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। বাস্তবে হয়নি কিছুই।
তিনি নিরাপত্তা না পেলে দেশে আসবেন না। অন্তত সাকিবকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। সরকার থেকে এইটুকু আশা তো সাকিব করতেই পারেন।
দেখা গেল সাকিব দেশে এলেন আর কিছু মব বাহিনী সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করল।
মামলাগুলো যেহেতু মিথ্যা মামলা তাই তিনি দেশে ফিরতে চান। তবে নিশ্চয়তা পেলে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ও রাজনীতি অঙ্গন নিয়ে সম্প্রতি খোলামেলা কথা বলেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে থাকা এই ক্রিকেটার সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান, দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা, ক্রিকেট বোর্ডের ভবিষ্যৎ ও ব্যক্তিগত নানান বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ‘একটা সময় দেখতাম যে সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউই আওয়ামী লীগ করে না। এরকম একটা অবস্থা।’
অর্থাৎ দলের কথাই তিনি বলেছেন। যারা পাল্টি দেয় বা দিয়েছে তাদের উদ্দেশ্যেই হয়তো এই কথাটি।
আগামিতে দেশে ফিরলে প্রথমে কোথায় যাবেন, মিরপুর স্টেডিয়াম নাকি নিজ জেলা মাগুরা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন তো ঢাকায় পা রাখাটাই সবচেয়ে বড় চিন্তা।’
সাক্ষাৎকারে ‘আপনার সাবেক টিমমেট, আপনার বন্ধু তামিম ইকবাল বোর্ড সভাপতি। তিনি নতুন কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কিনা?’ এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ইলেকশন করার পরে আসলে যে বোর্ডটা আসবে, তাদের হয়তো হাতে চিন্তাভাবনা করে ডিসিশনটা নেওয়ার অনেক সময় থাকবে।’
রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার জবাবে সাকিব বলেন, ‘আমি মনে করি যে আমি ভুল কিছু করি নাই।’
এর আগেও তিনি বলেন, “আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”
