ঢাকা: কোরবানির ঈদ সামনে! বাড়িতে ঈদ করার জন্য সকলেই আশা নিয়ে থাকেন। ফলে ঈদের সময় টিকিট বিক্রি হয় হাওয়ার বেগে। আবার টিকিট না থাকলেও কোনো কথা নেই। যাত্রীরা এমনিও চলে যায়। আর ট্রেনের ছাদ তো যাত্রীভর্তি থাকবেই।
ঈদ সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হতেই যাত্রীদের চাপে কার্যত ভেঙে পড়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় সব টিকিট শেষ হয়ে যায়।
রেলওয়ে জানিয়েছে, প্রথম আধাঘণ্টাতেই টিকিট কাটতে প্রায় ৬০ লাখ হিট পড়ে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিক্রি হয়েছে ২৩ মে যাত্রার টিকিটগুলো।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মো. কবির উদ্দিন মোল্লা জানান, “২৩ মের পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট সকাল ৯টার মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।”
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হবে।
✓ ১৩ মে বুধবার বিক্রি হচ্ছে ২৩ মের ট্রেনের টিকেট
✓১৪ মে বৃহস্পতিবার বিক্রি হবে ২৪ মের ট্রেনের টিকেট
✓১৫ মে শুক্রবার বিক্রি হবে ২৫ মের ট্রেনের টিকেট
✓১৬ মে শনিবার বিক্রি হবে ২৬ মের ট্রেনের টিকেট
✓১৭ মে রবিবার বিক্রি হবে ২৭ মের ট্রেনের টিকেট
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট পাওয়া যাবে সকাল ৮টা থেকে। এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি হবে দুপুর ২টা থেকে।
এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের শুধু সরকারি ওয়েবসাইট ও ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছে।
এবং একই সঙ্গে ফেসবুক পেজ বা অননুমোদিত মাধ্যম থেকে টিকিট না কেনার জন্য সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে ঈদের অগ্রিম যাত্রার টিকিট ফেরতযোগ্য নয়।
তাছাড়া যেসব যাত্রী অনলাইনে টিকিট পাবেন না, তাদের জন্য যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে। এই সুবিধা উচ্চ শ্রেণির ক্ষেত্রে থাকবে না।
তবে যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, অনলাইনে অতিরিক্ত চাপের জন্য অনেকেই টিকিট পাননি।
