টাঙ্গাইল: হামে শিশুর মৃত্যু ৪০০ পার করে গিয়েছে। সংখ্যাটা হয়তো আরো বেশি হবে। দেশে কেবল মা বাবার আহাজারি শোনা যায়। ইউনূস জঙ্গী শিশুহত্যাকারীর এখনো কোনো বিচার নেই।
এই পরিস্থিতির মধ্যে এক মাসের দুধের শিশুকে হামের পরিবর্তে দিয়ে দেয়া হয়েছে দুই ডোজ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন!
এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্র কি ইচ্ছে করে শিশু হত্যা করছে? এইসব কী ঘটছে বলতে পারবে তারেক রহমানের সরকার?
ঘটনা টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছেন।
শিশুটির পরিবার জানায়, একমাস বয়সী ফাতিহাকে হামের টিকা দিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন শিশুটির মা মৌ। সেখানে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিলো স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলাম নুরুর।
কিন্তু তিনি উপস্থিত না থাকায় পিআরএলে থাকা স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাইয়ুমকে ডেকে আনেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদ।
এসময় স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাইয়ুম শিশুটিকে হামের টিকা না দিয়ে দুই ডোজ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দিয়ে দেন আচমকা! এই কী? তিনি কি মাদক সেবন করেন? নাকি ইচ্ছে করে এই কাণ্ড করলেন?
জানা যায়, এই অবস্থায় পরিবারের লোকজন প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গেও অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন কাইয়ুম।
এদিকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেয়ার ফলে শিশুটি ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাফলতিকে দায়ি করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে শিশুটির পরিবার।
অভিযুক্ত স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাইয়ুম বলেন, ভুলবশত এমনটি হয়েছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছি।
এই দেশে তো আবার সরি বললেই সব মীমাংসা হয়ে যায়! হত্যা করে সরি বললেও মাফ! এই হচ্ছে রাষ্ট্র, আইন।
নিজের ভুল স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদ বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। আরও সতর্ক হওয়া দরকার ছিল। তবে এ ভ্যাকসিন কোন সমস্যা হবে না। তারপরও পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে।
