ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা তো ছিলই, সেই সাথে হাম ভয়াবহ হওয়ার পেছনে কাজ করেছে সংগঠিত টিকা বিরোধী চক্র। মোল্লাগোষ্ঠী সমানে প্রচার চালিয়েছে ভ্যাকসিন না নেয়ার জন্য।

আর তাদের ব্রেন ওয়াশ, মিষ্টি মিষ্টি কথায় সহজ সরল মানুষ পড়বেই। করোনারি সময়েও একইভাবে এই মোল্লারা প্রচার চালিয়েছে ভ্যাকসিন নিলে নাকি পুরুষ থেকে নারী হয়ে যায়।

বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষের মনে ভ্যাকসিন নিয়ে ভয়, সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি করেছে। এই একই গ্রুপ মেয়েদের ফিটনেস, ব্রেস্ট ফিডিং আর হামে বাচ্চাদের মৃত্যুকে একই কাতারে নিয়ে আসে!

ফলাফল এখন দেশের চোখের সামনে। যে রোগ একসময় নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেটাই আবার শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

এদেশে শিশুকে ধর্ষণ করা হয়, ধর্মের জায়গায় যৌন নিপীড়ন করা হয়, আবার অবহেলায় অসুখে মারা হয়।

১৫ মার্চের পর থেকে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭ হাজার ৪১৬ জন। এবং একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৬১১ জন।

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে চারজন হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি আটজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭৭ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৪১৬ জন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *