চট্টগ্রাম: আজ বাংলার মানুষকে শিয়াল কুকুরে খাচ্ছে। আজ বাংলার মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। শক্ত ছাদটাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ৫ আগস্ট। ভয়াবহ অবস্থা দেশের।
কোনোদিন মুণ্ডহীন পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হচ্ছে, কোনোদিন শুধু মুণ্ড উদ্ধার হচ্ছে, সাধুকে মেরে পুড়িয়ে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে – দেশটা তে আজ কোথায় পৌঁছেছে!
ফটিকছড়িতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খণ্ডিত মরদেহ ও মাথার খুলি উদ্ধারের ঘটনায় মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় এর আগে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের নতুন আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার মাথা ছিলো না।
এবার হয়তো সেই দেহের মুণ্ড উদ্ধার হলো!
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নের ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন টিলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে উদ্ধার হয়েছে খণ্ডিত মরদেহ ও দেহবিহীন মাথার খুলি।
একই এলাকার দুটি টিলায় প্রায় এক কিলোমিটার ব্যবধানে এগুলো উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে একটি টিলার খাদ থেকে মানুষের মাথার খুলিটি উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, উদ্ধার হওয়া খুলিটি আগের সেই মরদেহের অংশ হতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৬ নম্বর ঘরের বাসিন্দা শিরু আক্তার দুপুরে ছাগল খুঁজতে গিয়ে টিলার খাদে সাদা রঙের একটি বস্তু হঠাৎ করেই দেখতে পান। কাছে গিয়ে সেটি মানুষের মাথার খুলি হিসেবে বুঝতে পারেন। ভুতুড়ে সব কাণ্ড।
আচমকা মাথার খুলি দেখে আতঙ্কিত হয়ে তিনি পাশের দোকানদার আজমকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
ফটিকছড়ি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খুলিটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
