নোয়াখালী: জান্নাতে খাদ্যের অভাব পড়েছে তাই জামাত সরকারি চাল চুরি করছে ভাত রান্নার জন্য।

জান্নাতের ঠিকাদাররা কবে থেকে চাল চুরিও শুরু করে দিলো? গুণাহ হবে না?

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে জামায়াতে ইসলামীর নেতার বাড়ি থেকে উপজেলা প্রশাসন জব্দ করেছে খাদ্য অধিদপ্তরের সিলযুক্ত ৯৯ বস্তা চাল।

শনিবার দুপুরে চরজব্বর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড ঈমান আলী বাজার–সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

জান্নাতের ঠিকাদার ওই জামায়াত নেতার নাম আবদুস সামাদ। তিনি চরজব্বর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতের সভাপতি।

তিনি দাবি করেছেন, সরকারি চালগুলো লক্ষ্মীপুরের তিনটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর ভাই কিনেছিলেন। তবে প্রশাসন বলছে, সরকারি চাল কেনাবেচার কোনো সুযোগ নেই।

হ্যাঁ, অবশ্যই নেই। সরকারি চাল কিনে মজুত করে বিক্রির পাঁয়তারা করছে এরা।

চালগুলো আবদুস সামাদের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতরে ছিল। সেখানেই এত এত চালের বস্তা মজুদ ছিলো।

প্রশাসন পুলিশ নিয়ে ঘরটি তল্লাশি করে চালগুলো জব্দ করে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান চালগুলো স্থানীয় চরজব্বর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রাখার নির্দেশ দেন।

আবদুস সামাদকে এই চালের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত নেতা সামাদের বাড়িতে সরকারি চাল মজুদ করে রাখা হয়েছিল। এসব চাল বাজারে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।

এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে গিয়ে জড়ো হয় এবং একটি কক্ষে বিপুল পরিমাণ সরকারি চালের বস্তা মজুদ দেখে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়।

এখন চোর, বাটপার, ধর্ষকেরা এসে বলবে তাদের বিরুদ্ধে বিরাট ষড়যন্ত্র করছে সরকার। জামাত নেতার বাড়িতে চাল রেখে দিয়ে এখন জামাতের নাম খারাপ করার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে এগুলো বলা শুরু হয়ে গেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *